-----------------------
একদিন তোমার নিয়মে জীবন ছুঁয়ে
ঘুম ভেঙেছিল যখন ----বয়ে যাওয়া
জীবনে ভেসে চলেছিলাম, পাশাপাশি
অনেক ভাবনা আমায় দেখে ভাবতো
প্রানের স্পন্দন বুঝি পায়নি শরীর,
কিছু আগাছার জন্মের ছোঁয়ায় সবুজের
অস্তিত্ব আমার ভেতোর কখনো কারো
সময়ের অবসরে চোখে এলাম, শুধু
সময় তুমি এক মাত্র তুমি জেনেছিলে
একটা হৃতপিন্ডের তরল রক্তের খোঁজ,
তাই তোমায় আমার অলিন্দদ্বয়ের ফোয়ারায়
স্নান করাবার ইচ্ছা জানালাম, মুহুর্তের পাহাড়
পেরিয়ে আমাকে আবিষ্কৃত করে পরম যত্নে
ছুঁয়েছ...তোমার প্রত্যেক স্পর্শর এক একটা
নামকরন করবো ভেবেছি, অসময়ের কুমেরু
বরফে যখন মৃত প্রায় এই আত্মা তুমি সময়
হৃতপিন্ডের সাথে হৃতপিন্ড ঘষে উষ্ণীয় করেছো,
মেরুদণ্ড যখন একেবারে ভংগুর প্রায় সময়
তুমি বজ্রস্তম্ভ সেঁধিয়ে দিলে আমি উঠে দাঁড়ালাম
তোমার হাত ধরে , তুমি আমার হাত ছেড়ে বললে
শক্ত হয়ে মাটি কামড়ে হাটতে শেখ....এখন
শহরজুড়ে আমার নিরন্তর ক্লান্তিহীন হেটে যাওয়া,
অনেক রাতে মাঝপ্রহর পেরিয়ে যখন পৃথিবীর
চোখে ঘুম এঁকে তুমি একটু অবসরে..
আমি তোমার কাছে এসে দাঁড়াই, তোমার
স্রোতের খুব কাছাকাছি একটু স্পর্শ নিতে আর
তুমি দুহাত দিয়ে আমায় আগলে রাখ
তোমার বুকপেতে একটা ছাউনি বানিয়ে
কিছু কবিতা আবৃত করে কালশিটে পড়া
চোখকে ঘুম পাড়িয়ে দাও আমি নিশ্চিন্ত হই,,
অন্ধকার খাদ থেকে তুলে এনে একটা ঝলমলে
সূর্যদয় কে তুমি আমার জন্যে পুব আকাশে
বসিয়ে দাও আর তোমাতে ডুব দিয়ে আমি
সোনার রঙএ রাঙা হই, তোমার গন্ধ আমাতে
মেখে সময় তোমায় অনুসরণ করে চললাম
অন্তহীন, তোমায় চিনতে কখনো ভুলবো না
হাজারো জনপদের ভিড়ে হাজার তারার মাঝে,
একটা সময়ের ধ্রুবতারা,
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন