একটা অবয়ব খুজছিলে তুমি মাটি খুঁড়ে
খুঁড়ে কখনো মৃতের শবাগারে, এক এক করে
সব পোশক খুলে এই পৃথিবীটাকে নগ্ন দেখতে
তোমার বেশ লাগে,
পৃথিবি মানে মাটি, মানে মা, মানে কন্যা, মানে স্ত্রী,
তোমার কোনো দিন কোন কন্যা, মা, স্ত্রী, মাটি
থাকতে নেই, শুধু একটা ঈগলের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি
থাকা জরুরী যা দিয়ে এক একটা আবরন
তুমি পুড়িয়ে দিতে পার তার পর শরীর
চামড়ার গন্ধে তুমি মাতাল হয়ে যাও তা সে
কচি হোক বা মাঝামাঝি কিংবা ঢিলে
কোলাজেন... সব স্বাদ বেশ মুখোরোচক,
এক মুঠো আলো যখন জড়িয়ে ধরে, একটা চৈত্রের
দুপুর যখন জাপ্টায় মাটি -- তখন লজ্জায় ঘৃন্নায়
সরে দাঁড়ায় পৃথিবী , অভ্যাসগত হয়ে খুলে ফেলে সব
লজ্জার আবরন, শরীর জুড়ে একটাও অসহায়
সুতো রাখিনি, এর পর তুমি বলবে নারীত্ব নিয়ে
অসম্ভব কিছু তাত্ত্বিক কথা আর বিচারের
আসনে বুদ্ধিকৌশল দুর্জধনেরা, কতো
ধার্মিক চোখ কতো সন্তান খুঁজবে বিবস্ত্রের
সঠিক তত্ত্ব, তোমার নেশা তখন তোমাদের
নেশা আর তোমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা
উল্লাসের ফোয়ারা,
চামড়া নিয়ে তোমার থেকে তোমাদের
চোখ ছুঁয়ে যায় চুড়ান্ত তৃপ্তি, এক দিন
হাতে নিয়ে দেখ একমুঠো মাটি জেনে
যাবে তোমরা ছুঁতে পারোনি কোনো দিন
কোনো আত্মা রাশি রাশি মৃত দেহ নিয়ে
খেলে যাও হাজার হাজার বছর ধরে,
বিজয় পতাকায় লেগে থাকে মাটির রক্ত,
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
মাটি বলছি শুনছ... ------------------+-----------------
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন