দেখিয়েছিল , সে মলম লাগাতে
গিয়ে বলল কীভাবে তার এমন সংসার পোড়া ছ্যাঁকা লাগল ,,
কীভাবে পায়ের মধ্যে ফুটো করে ঢুকে গেল
প্রথম থেকে শেষ বন্ধনীর সমস্ত শেকল,
পাখিটা তাকে দেখালো ঠোঁট দিয়ে
খাঁচার তার কাটতে গিয়ে ঠোঁটের জখম,
দেখালো তার সমস্ত রঙের ক্ষত , সে
বাইরে থেকে নিজের ওম দিয়েছিল
খাঁচার দরজা খুলে তাকে “বাঁচবিযদি আয়’,
বলে বার করে এনে রেখেছিল বুকের
বাইরে থেকে নিজের ওম দিয়েছিল
খাঁচার দরজা খুলে তাকে “বাঁচবিযদি আয়’,
বলে বার করে এনে রেখেছিল বুকের
মত আর একটা খাঁচায়
সেখানে পাখিটা বন্দি আজ
সেখানে পাখিটা বন্দি আজ
সে কয়েক জন্ম ,পাখিটা ভুলে গেছে আকাশ
দেখতে ,চোখ তার আর রঙ চেনে না , মন আর
দোষারোপ করতে করতে বৃষ্টিতে ভেজে না ,
দোষারোপ করতে করতে বৃষ্টিতে ভেজে না ,
সন্ধে হয়ে যায় সকাল হয়ে যায়
পাখিটার অনন্ত ঘুমের ভেতর ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন