গঙ্গার ঘটে অবাঞ্চিত স্পর্শ হাতের আড়ালে চলে যেতে দেওয়াই ভালো বুঝেছো পার্থ ,
আমার পূর্বপুরুষ সময়ের গালিচায়
পরিচয় লিখে রাখেন বলে আমারও সেই প্রথা মেনে নিওয়া ভালো এটা বুঝতে সময় লাগলো বছর দশেক,,
...............................................
............... শূন্যতা ছুঁয়ে আসা প্রেমিকের ঠোঁটে...
নবমীর চাঁদে রঙ জমে নিকোটিন রঙ আরো গাড় হয়ে গেছে এবার ,
মানচিত্রের ফাঁকে ফাঁকে চুরি করা বসন্তদিন পুরে রেখেছিল সে ভাবেনি সময়ের একটা লুকোনো খিড়কি দুয়ার থাকে ....,
পুরু কাচের চশমায় রাস্তা হারিয়ে যায় কখনো কখনো সে কথাও সে জানতো কি না জানি না ।
.................... রাতজাগা কয়েকটি নক্ষত্র চিরে তাকে চিনে নেবার চেষ্ঠা কিরেছিলাম মাত্র , সে বিদায় বেলায় সে উপাখ্যানের নাম দিয়েছিল
লোভ দেখানো বাজিকরের ।
আজ আর ঠিকানা মনে পড়ে না তার ....মনে পড়ে না কোনো অভিসার ছিল কিনা আদেও সেসব অধ্যায় জুড়ে ...,,
রাত জাগা তারার বৃষ্টিবিন্দু হয়ে যায় শহরের খালি রাস্তায় যখন এক হাঁটি ,
অন্তরালে চেয়ে থাকা প্রেমিকের উদাসীন চোখ
.................. একঝাঁক উত্তরপুরুষের কাছে ক্ষমা প্রার্থী হয় বারংবার নিজের ফেলে আসা কামুক ইতিহাসের জন্য।
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অনেক দিন কেটে গেছে...
চামড়ার গল্পও এখন আর প্রতিদিন সমরস এর জন্ম দেয় না ।
একটি খালি খাঁচা... প্রচুর পালক নীচের মেঝেতে ছড়িয়ে.. হ্যাঁ ঠিক ....তোমার ছবির দিকে চাইলে আজকাল এক ভাঙচুর সাম্রাজ্যের ব্যর্থ অসহায় রাজা ছাড়া কিছুই আর মনে আসে না ।
. সংখ্যার অভাবে নিখুঁত অন্তর্বাসের ভিতর ও বাইরে শূন্যের প্রবাহ এখন তোমার পলাশ গুঁজে রাখা প্রেমিকার দেহ ও মনেও... ,,।
তাই চিরকাল রাজা তুমি হেরে গেছো।।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন