ঘটনার রহস্য লুকিয়ে থাকে
বাতাসে গুঁড়ো গুঁড়ো অক্ষরগুলো গুপ্ত সংকেত বয়ে বেড়ায় ,
এ শহরে যে লোকটাকে বাইরে ভেতরে চিনতাম বলেই
জানা ছিল তার বুকের ভেতর থেকে এক দিন এক পুঁটলি
বেরিয়ে এল ,
লোকটার পালিশ করা অদ্ভুদ আকৃতির হৃদয় থেকে
কালো বাদামি দুই প্রস্থ গুঁটি বেরিয়ে পড়ল তারপর নিজেরাই
রাজা রানী মন্ত্রী নৌকা গজ ঘোড়া সেজে নিলো,
আকৃতি আর এই চরিত্র গুলোর পরিচয় মিলে মিশে প্রহেলিকার মত
ছড়িয়ে গেলো শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে ।
এই দৃশ্য গুলো যখন সাক্ষী রাখছিল সময় ... একটা কুমীরের দাঁত অপেক্ষা করছিল
বোকা এক মানুষের ঘাড়ের কাছে ,
এক আশ্চর্য দরজার সামনে এসে দাঁড়ায় কখনো কখনো মানুষ
সেই দরজা দিয়ে বেরিয়ে আর কোন ছোট আশ্রয় নয় আকাশ যেন তার অপেক্ষা
দু হাত বাড়িয়ে দেয় ,
ঈশ্বর শব্দটা কারো নিজস্ব জমিনে পুঁতে রাখা সেগুন গাছ নয় ,
তাই সমস্ত ঘাতক বিশ্বাসকে ... সেই বোকা মানুষটার সামনে একদিন
নিয়ে আসে ... মানুষটা শহরের শেষ প্রান্তে অমলতাস গাছটার ছায়ায় দাড়িয়ে
সময় আর ঈশ্বরকে বলে তার কাছে কেউ অপরাধী নয় ... এরপর শহরের
ভিড়ে মানুষটা অদৃশ্য হয়ে যায় ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন