বৃদ্ধ কিন্নরের মত তুমি এখন স্মৃতিসঙ্গ হিন সময়াতিত হে প্রেমিক,
একদিন তোমায় ভেবেছিলাম বংশলোচন হৃদরোগের মহাঔষুধ ,
একদিন তুমি বাঁশের চিক খাঁড়া করে নিয়ম বানাতে সময়কে গুছিয়ে
নেবার জন্যে ঈশ্বর রুপে সেজেছিলে ,
হঠাত রত্নসুপ্তির মত ঝাঁকে ঝাঁকে তোমার চারপাশে তোমারই শব্দের
বিকিকিনি বাড়তে থাকে ... আমি এরপর একটু একটু করে নিরবতা শিখে
ফেলি ।
পরিনত প্রহেলিকার মত একই মানুষ ধাপে ধাপে বদলে যায় ... চোখের সামনে ।
আমাদের বারো খানা ছবির নিচে যেন বারো খানা পাপের নাম
লেখা হয়ে যায় তখন, , প্রতিটা ছবিতে নিরাবরন ছিল তুমি আমির মত
চেনা মুখ গুলো ,
তখন সে খুব সহজে বাঁশের কাটিম ধরে শরীর থেকে মাটি
চেঁছে নিয়ে নিজের মত গোপনে নতুন প্রেম গড়ে নিচ্ছিল ,
একমাত্র প্রেমিক ভাবা পুরুষ বুকের খাঁজে রাখা কলজের চারপাশে দেওয়াল তুলে
দিলো একদিন। বুকের ফাটল দিয়ে সারি সারি পিঁপড়েরা গোপন
খবর দিয়ে যাচ্ছিল যে ।
সমস্ত অক্ষয় ম্মালবেরির পথ হেঁটে যে দিন বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়েছিল সে দিন বুঝতে
পেরেছিলাম প্রেমিক নয় সে আসলে চিরকাল এক নষ্ট পুরুষ হিসেবেই চিহ্নিত।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন