... আমাদের দুজনেরই প্রজাপতি আঁকা একটা অপেক্ষার টিমটিমে বাসস্ট্যান্ড. আছে .. ,
চারদিক যখন শুনশান... সে আমার বুকের সনাতনী দীর্ঘশ্বাস আর পরবাস ছুঁড়ে দেয়..
. আমি লাল ধুলোর ডাকঘরে... চিঠি গুলো ফেলে আসি ,,
ছইয়ের নিচেও তাপমাত্রা বাড়ে ক্ষত ঢেকে রাখা শহরটাকে শুশ্রূষা দিতে ...,, সে আর আমি জানি এখন এসব কথা ,
পরবাসেও এখন ঘুটঘুটে অন্ধকার... ভরা কোটালের ঢেউ কোনোভাবে টিকে যাওয়া বাঁধটাকে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করে... তার চার পাশের শৃঙ্খলা হীন প্রজাপতির দল তার শরীরে শেষমেশ স্থায়ীভাবে ঘর করেই ফেলে , প্রতিটা মুহূর্তের সমস্ত গণনা সঠিক প্রমান হয় ।
জল ঠেলে নৌকা খুঁজি যখন গঙ্গার বুকে ... পোড়া কাগজে লেগে থাকা পা এর চিহ্ন স্পষ্ট হয়ে যায় ... আমার সকালের জানলায় ,,
গলির মোড়ে কার যেন পিছুডাক অপেক্ষা করে চুপ করে ।
... আগুন কি তোমার প্রেমিকা পার্থ .. তাই কি আমারও আগে তোমায় পুড়িয়ে বাউলের ঘর ভাঙে...।
বাঁধ ও মাটির দেওয়াল নিমিষে চিহ্ন হীন করে ফেলে এত সহজে ,
অক্ষবাট ও অক্ষের সম্পর্কের মতো... আমরা তিনজন ভাসছি এখন ,
আজ আমায় ধিকিধিকি পুড়তে দাও... আগুন নিভিও না... কোনো ভাবেই কোনো ভাবেই আর প্রশয় দিও না হেমন্ত নামে ঋতুটাকে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন