পায়ের শব্দ যেখানে শেষ হয়,
একটি গাছ বেড়ে ওঠে সেখানে...
সময়ের বৃষ্টির সাথে যার অদ্ভুত মিল।
গঙ্গার বুকে গুঁড়ো গুঁড়ো স্মৃতির নুড়ি কাঁকরেরা নাব্যতার ভাষা শিখে ফ্যালে... আমাদের মতোই।
কায়াহীন তন্ত্রীয় শিকল ও মায়ায় মুঠো ছাড়িয়ে
মৃত্যু ছুঁয়ে ফেলে সহজে সমস্ত পাণ্ডুলিপি।
হাতের ছায়ায় কাঁপে মিথ্যে সংসার...,,
দু-চোখে মাধবি লতা বেয়ে সন্ধ্যা সেই কালো মেয়েটির কথা ভেবে জানলায় পিঠ রেখে মিথ্যে বলে যায় দিনের পর দিন ।
আয়নাও যে ছদ্মবেশী রঙ লিখে রাখে সে কথা সবাই জানে না ।
সিংহদরজার ফাঁক গলে যে কয়টি গ্রহ-নক্ষত্র চোখে পড়ে তারা যা বোঝে মানুষ সেসব বোঝে না । তাই মানুষ নিজের চক্রবহু নিজেই সাজায় যত্ন করে ।
গুঁড়ো গুঁড়ো আয়না ভাঙা
সূর্যঘড়ির কাঁটা ছুঁয়ে যায় প্রেমিকের সব রেখে যাওয়া দৃশ্যে ,...গ্রহন লাগে কি ভীষণ রকম ।
.................. মিথ্যাও বলেনি হয়ত ....অন্ধকার নামার আগে কুমকুম রঙের আলো আসে যে সব জানলায় ...সে সব গরাদহীন জানলায় জীবন
কথা বলে বাকিরা চুপ ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন