শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১

সুবর্ণা (১০৭)

চিত্রনাট্যে অনেক ঈগল ছিল আমি জানতাম সুবর্ণা ,,
  নির্জন নদী ও তির্য সমাধি ঘেরা বিহ্বল একটা  বাড়ির উল্লেখ ছিল সেটা আমি ছাড়া তেমন কেউ জানতো না .. ,
সেখানে  ঘরের কোণে রাখা টেবিল... তার ওপর ভাঁজ করা তোমার প্রাক্তন  রুমাল... আর দৃশ্য বিন্যাসে  ঠেলে উঠে আসা আশ্চর্য ক্ষতের সেই চিহ্ন গুলো আজও এতটুকু পুরোনো হয়নি  । মৈথুন বেশের স্হির চিত্র যেনএখন পরিজাতে বসে আমি দেখতে পাচ্ছি ......নাহ আজ তুমি নও 
আমার সাধন সঙ্গিনী .....তবু দৃশ্য কখনো মরে না জানতো সুবর্ণা .....দৃশ্য কখনও মরে না ।
 ফিরে পাওয়া যায় না এমন অনেক পলাশের রঙ... ওড়না ও আড়ালের আশ্চর্য দাম্পত্য আঁকড়ে...সে সব স্বর্গীয় দৃশ্যর ধমনীতে এখনো টগবগে রক্ত ফুটছে ।

 বেশ বুঝি চিত্রনাট্যে এখনও বেশ দুর্বলতা আছে তাই তুমি তাড়াতাড়ি মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছো । 
 আজমেরের টাট্টু ঘোড়া... আজও শব্দ করে পৃথিবী কাঁপিয়ে  চুয়াল্লিশের বুকে দাপিয়ে বেড়ায় ,
  হরিণ চামড়ায় চিবুকের ভাঁজ ....নগ্ন আবৃত্তিকার কবি , ... মাছরাঙার ঘুম আনা ক্লান্ত দুপুর... এসবের প্রতি- তুমি গোপনে পর্দা সরিয়ে দেখো .. ।

অথচ দেখো আমি কত সহজে নিজেকে প্রখর তীরন্দাজ তৈরি করে ফেলেছি ....আমার লক্ষে 
এখন শুধুই  হাজার হাজার প্রেমের চোখ ,
আমি একের পর এক তীর দিয়ে লক্ষভেদ করছি ..
শব্দহীন লক্ষভেদ .....সুবর্ণা শব্দহীন লক্ষভেদ ।
.....….........(সুবর্ণা প্রিয় লক্ষভেদ)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন