প্রতিটি ঝগড়ার শেষে এখন আমি একটা করে পেরেক গেঁথে নিই আমার শরীরে..
. ঠিক কীলক প্রতিমার চেয়ে আরও ভয়ঙ্কর মূর্তির মত ...করে ফেলি নিজের সমস্ত অনুভূতি।
হলুদ সাপুড়ের বাঁশির দীর্ঘশ্বাস... খোলসে জড়িয়ে থাকা চুম্বনের টুকরো যত্ন করে উত্তরের বারান্দায় সরিয়ে দিয়েছি ...।
আমার গতজন্মের প্রেম ছিল হেমন্তের মতো...
এ জন্মের প্রেম নীল ঢেউ সমুদ্রে ডুবে যেতে থাকা অবক্ষয় ,
বিধাতা পুরুষ আঁতুড়ের জাল কেটে মাত্র তিনটি ঝাপসা অক্ষর... অব্যর্থ, অবশেষ ও অব্যয়িত...লিখে দিয়েছিল আমায় চার আঙুলের জমিতে ।
পালাতে চেয়েছি সবকিছু থেকে তাই কোনো ছায়া রাখিনি ... ছায়া রেখে যে পালানো যায় না...কখনো ।
গঙ্গায় শয়ে শয়ে ... যন্ত্রণা ভেসে যায় ,তাদের ফিরে আসা ... গোঙানি শুনতে পাই নিঃশ্চুপ ভোরের আজানে ,
... গেরুয়া বসনে উলঙ্গ রাজা নাচতে থাকে অহংকারী বিক্ষত লিঙ্গে... তার জন্ম না নেওয়া হাজার হাজার সন্তান তখন নালি পথে নদী খুঁজে নেয় ।
কর্পূরগন্ধের ইশারা সংসার করে আমার শেষ প্রেমিক পুরুষ ,
যখন সে এক ভ্রম থেকে অন্য ভ্রমে ছুটে
যোনির খোঁজ করতে করতে পাগল হয়ে যায়...
আমি তার পুরোনো ইতিহাস বিছিয়ে একবার হেঁটে যাই ....সব দৃশ্য তখন আবছায়া কেটে বেরিয়ে আসে ,
রাজা রানী সব উলঙ্গ দাঁড়ানো দাবার গুঁটিতে।
আর মুখোমুখি আমি ও অতঃপর আমি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন