ভীষণ শ্যাওলা চারপাশে ... জিভে জড়িয়ে দুফোঁটা কলঙ্ক তোমার আসম্য বৃষ্টির পাতের মতই ... ।
..........ইচ্ছেবাড়ির নীচে ভাঙাচোরা মুঠোফোন বেজে ওঠা আস্তানাটা আছেই.....
যার পাশে বড় বড় কফিন বিক্রি হয় এখন ...,
শব্দের রঙও ... চার দেওয়ালে গম্ভীর বাতাসে পুরুষ গন্ধ ঢুকিয়ে রাখা সেই কফিন গুলোর ভেতরে ।
মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ছাড়িয়ে সুজন মুক্তি বিলাসী হতে চাইছ ,
নিয়মিত প্রয়োজনে ঘৃণা মধ্যে আটকে থাকা সমস্তটা গ্রহণ করেছি আমি।
তোমার খিদে ও হঠাৎ দাঁড়িয়ে ওঠা লিঙ্গের ঘন বীর্যপাত আমি দেখতে পাই আজও স্পষ্ট ।
নিয়মিত সুড়সুড়ির অভ্যাস যায় নি এই চল্লিশ ছুই সফরেও ।
ফুটপাতের ধারে ছুড়ে ফেলা কণ্ডোম তোমার অজন্মা সন্তান কেন যে অভিশপ্ত
জানি না।
পানের ছোপ লাগা প্রতিটা দিন , অভিশাপ ও ঈশ্বর এর বাদানুবাদ,৷ পাহাড়প্রমাণ মনান্তর,
সব কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের মতই।
নীল পাহাড়ের গায়ে সাদা ওড়নার ছদ্মবেশে হারিয়ে যাচ্ছে তোমার সেই রাজ দাপট।
তেমন কোনো তৃষ্ণায় শহরের ঠিকানা আর তোমার পকেটে থাকবে না,
প্রতিটি হিসেব সেপ্টিপিন দিয়ে গাঁথা ওই বুকে। ওই বিসাক্ত বুকের এক-একটি তলে দু-তিনটে গোপন মৃত্যু আগলে রাখা.... পরম্পরা ও স্নানের আগে পরে লেখা বারুদের স্তূপকথাগুলোর মতই সত্যি সে মৃত্যু ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন