মাঝরাতে লোকটার সারা শরীর জুড়ে অজস্র হাত গজিয়ে ওঠে
স্বপ্ন ভেঙ্গে দুঃস্বপ্নে হাঁটে লোকটা । সিলিং জুড়ে ফেলে আসা সময়ের নাগপাশের সাপ লুডো
খেলা চলে , সারাক্ষণ
আকাশের দূরত্ব টেনে এনে মুড়ে ফ্যালে মুছে দেওয়া সেতু ,মরুভূমির নরম বালির ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারে সমস্ত অভিকর্ষ ...।
লোকটার সারা শরীরে লিপ্সটিক মাখা নানা রঙের অজস্র ঠোঁটের দাগ ...স্নান ঘরে
ধুয়ে ফেলা সম্ভব হয় না তাই পোশাকের ওপর পোশাক পরে জোকার হয়ে বেঁচে আছে ,
আঠায় সঙ্গে রাঙঝাল দিয়ে তার বুকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে খোদাই করা
আঠায় সঙ্গে রাঙঝাল দিয়ে তার বুকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে খোদাই করা
গোপন লিপি ,
দেহের আনাচ কানাচের ফাটলের স্বাসালো অর্ধ শত কিংবা তার ছেয়ে বেশি
গুঁজে রাখা চিরকুট তারা সকলে সময়ে কাছে জেহাদ করে বিচার চাই বলে ,
লোকটা কেঁপে কেঁপে ওঠে জেগে থাকা রাতেও ,
একদিন ভোরের শেষ অনঅন্ধকার চিরে নারীর বেশে একদিন ঈশ্বরী এসে বলে যাবে তার ঠিকানায়
একদিন ভোরের শেষ অনঅন্ধকার চিরে নারীর বেশে একদিন ঈশ্বরী এসে বলে যাবে তার ঠিকানায়
, “লিখে নাও, কুলকিনারাহীনতাই মন্দবাসা খরস্রোতা... তার জন্ম আছে মৃত্যু নেই ।
ভালোবাসা বারংবার হয় কারন বাজারে কিনতে পাওয়া যায় ,
মন্দবাসা চিরকাল তীক্ষ্ণ ধারালো একনিষ্ঠ... ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন