উত্তরের বারান্দা রাখা দীঘিতে প্রতিবিম্ব বদলে ফেলতে চেষ্টা করি রোজ .. স্নান সারি
পোশাক বদলাই ....গায়ে আটকে থাকা কাঁচের টুকরো গুলো গেঁথে থাকা ক্ষতদের গায়ে হাত রাখি , নিয়মিত । সূর্যকিরণের দিকে হেঁটে যাই কঠিন দেওয়াল ভেঙে ,, তবুও প্রলয়স্পর্শী প্রতারণা রমণচিহ্নের পা গেঁথে যায় প্রতিবার ।
শব্দ ছাড়াই শিখে নিই কিভাবে কান্নার দিন যত্নে লালিত করতে হয়,, কীভাবে ধুয়ে নিতে হয় গোপন
কর্ন কুন্তী সম্পর্কের দাগ ।
সারা রাত পুরোনো পাড়-ভাঙার শব্দের সাথে
বিকল হৃদয়ের মিল আঁকতে আঁকতে কখন যেন শহরটায় অন্ধকারের ঘুম ভেঙে যায় ... আলো....তোমার জানলা গড়িয়ে নামা দৃশ্য দর্পণে বলে দেয় আজ খবর আছে অন্য রকম ।
সাইকেলের ক্রিংক্রিং শব্দে দরজা খুলে দেখতে পেলে কাগজওয়ালা খবরের ঝুলি নিয়ে ......।
পাতা উল্টিয়ে দেখলে আমি ও একটি মৃতদেহ পরস্পরকে আঁকড়ে রয়েছি... যেটি অবিকল পরিজাতে সাজানো তোমার আমার স্বেচ্ছা মৃত্যুর ছবির মতোই সত্যি ...।
......কুড়িয়ে পাওয়া নতুন ছালে রাত পাখির ডাক লেগে ছিল কিনা তুমি ছাড়া কেউ জানত না । শিউরে উঠছি এই ভেবে যে ভিজে বাতাস আমার আলজিভ স্পর্শ করেছিল তারপর সন্তপর্ন হয়ে আলো কে নিভিয়ে গলায় বিষ ঢেলে দিয়ে গেলো - জীবন কি কখনো মুখোমুখি হবে এমন অপরিমেয় সৎকারের ?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন