রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০২২

সেই গল্পটা

মেয়েটার ঠোঁটে এখন  মেঘে ঢাকা আকাশী শেষ মুক্তি 

                     কারণ সে সত্যি বাঁচতে চেয়ে ছিলো একদিন ...চেয়েছিল কিছুটা অক্সিজেন ।

শহরের  বাসে ,ট্রেনে ,রাস্তায় ,শোভাবাজারের ফেরী ঘটে অজস্র গল্পে মেয়েটার  টাটকা গন্ধ লেগে আছে  এখনো ।

চেনা অচেনা মুখ , চেনা  দুঃখ  অচেনা সুখ

তাদেরকে প্রত্যেকে   প্রশ্ন চিহ্ন বুকে নিয়ে ভিড়ে মিশে যায়, অথচ উত্তর খুব কঠিন ছিলো না কোনো কালেই।

বন্ধুত্বের মানে সাথে থাকা  ,ভালোবাসার মানে আর বিশ্বাসের মানে  নতুন করে মাটি কেটে পথ তৈরী করা ।

.

কারা ভাঙতে চাইছিল কাকে , আর কেই বা চাইছিল সমান্তরালে চলে যাওয়া পথটা মুছে দিতে , 

কে চেয়েছিলো  কাকে একলা করতে  ,কেই বা কাকে ঠিক কি   বোঝাতে  চেয়েছিলো ? 


এই শহরের হাজারো অলিগলিতে 

মানুষের  মতো মুখ ,কিংবা মুখোশ 

এই শহরের গল্পে প্লাস্টিকের সম্পর্কের বিজাতীয় ভাবনারা  

 শুধু বেচাকেনার পসার সাজায় নিত্য দিন , বিশ্বাসের আদলে অবিশ্বাস্য গল্পেরা ।

.

 সেই গল্পের মেয়েটার শরীর থেকে মুছে গেছে শেষ ভালোবাসার  স্পর্শ 

তার জন্যে লেখা গল্পে  নেই কোনো বোকামি কিংবা পাগলামি কমলা রঙের বিকেলে ভালোবাসার মরশুমি বায়না ।

শহরের প্রতিটা প্রায়চিত্তে  আজকাল কার যেন মৃত্যু দেখা যায় খুব স্পষ্ট

ভবিতব্য কেউ বদলাতে পারে না।


 তবু গল্পটা অন্তমিল ছিলো না এমন নয়

তবে বাজারের কেতাদুরস্ত জানতো না ঈশ্বর ছিলেন গল্পের লেখক


চরিত্ররা নাগরিক পুতুল

 আমার, কিংবা তোমার কথাটা এই মঞ্চে বড্ড বেমানান

 মুখোশের আড়ালে অভিমুন্যকে বধ করতে পারলেও

 সাত্যকী জানে মেঘে ঢাকা গল্পে একটা মুক্তি লেখা ছিলো প্রথম  প্রথম থেকেই ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন