চিহ্ন হারার বহতা কান্না শুনি তোমার বুকে মাথা রাখলেই ।
কিছু মাংস খেকো পাখি আর আলজিভ বিহীন দাঁড়কাক যেন উৎসব খুঁজে পায় এমন কান্নার সংলাপে ।
আমার আশ্রয়ের মানচিত্রে মন্দিরের জয়ধ্বজা পোড়ানো ছাই দিয়ে অন্ধকার লেপে দেওয়া হয় বারংবার ,আর সেই নিকষ অন্ধকারে মানুষই মানুষের মাংস বড্ড তৃপ্তি ভরে খায় ।
গোপন গুপ্তচর ঠিক যে বার্তা রেখে গেছে ওদের সাজানো ঘরকন্নার কুলুঙ্গিতে তার ভাষা পড়তে শেখেনি সভ্যতার পোশাক পরা পুতুলেরা ।
হ্যাঁ নিঃশ্বাস নিতে পারে ,খেতে এবং ঘুমোতে পারে , এমন পুতুল আছে বৈকি ! বেঁচে থাকার নির্মমতায়
মানুষও পুতুল হয়ে যায় কখনো কখনো ,
চেতনা নাশক গুঁজে দেওয়া হলো আমার একমাত্র প্রেমিকের মাথার নিউরনে তারপর সে হয়ে উঠলো একজন নৃশংস আসামী ,
ওই একই চেতনা নাশক গুঁজে পাশের বাড়ির ভালো তকমা লাগানো পুরুষটি হয়ে ওঠে বিবেকহীন ধর্ষক , এভাবেই অগুনিত মীরজাফর
দেশদ্রোহী আর খলনায়ক ফলে উঠলো আমার মানচিত্রে ।
আর এমন চেতনা নাশকের ফলাফল স্বরূপ জন্ম নেওয়া পথের পাশে মেয়ে শিশুটি মায়ের শূন্য বুকে অভিশাপ চাটতে থাকে অথচ শিশুটির পেট
ভরে না বিন্দু মাত্র ,
আমি রোজ এসব দেখতে দেখতে নিজের ভেতর এক লাম্পট্যর জন্ম দিয়েছি ,জন্ম দিয়েছি মানুষ নামে হেডলেস মনস্টারদের এক সিরিয়াল খুনিকে।
তোমরা আমাকে আর বিশ্বাস করতে যেও না দয়া করে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন