সুজন দেখ অসহায় স্পর্শ গুলো কেমন
মিশে যাচ্ছে ঘন কালো অন্ধকারে..,
কিভাবে যেন আলোর সেতুর বুকে
আজ অন্তর্ঘাত বোঝাপড়ার জং টুকু ছাড়া
সব রঙ ধুয়ে যাচ্ছ।
প্রস্তাবগুলোর আলোর চাদরে সময়ের শোকেরা
গুটিশুটি পায়ে জায়গা করে নেয়,,,
আমি ভিজতে থাকি তুমুল বৃষ্টতে, নির্জন
শহরে একলা ভীষন একলা,, ভয় করে সুজন
আমার যে বড্ড ভয় করে,
নিজেকে হত্যা করতে ধীর পায়ে আমারি ছায়া
একটু একটু এগিয়ে আসছে.....,,
আমার স্বপ্নগুলো কখন যেন তোর অদৃশ্য
ফাঁসের আগলে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে গেছে। ক্ষতবিক্ষত
মেরুদন্ডে অসুখের একের পর এক ঠিকানা সাক্ষর
রেখে গেছে..শেষ পংক্তিতে তোর সাক্ষর,,,,
সময়ের স্রোতে বয়ে চলা শব্দরা হাজারো কথা
দেয় ... কথা নেয় । ছোট্টবেলার স্বপ্নের রাজপুত্র
পক্ষিরাজ এসব তো কখনো সত্যি ছিল না...
ঘোর কাটে, প্রতিটা কাল আছে নেই এর মাঝখানে
দোদুল্যমান, এই বুঝি তুই হাতের রেখা থেকে ফসকে
গেলি,, তাই আজ গোত্রহীন শিহরণ ভাসিয়ে
দিলাম গংগার জলে.. ….মুক্তি দিয়ে ফিরে এলাম
আমার পুরনো গাছের কোটোরে,, তুইতো জানতিস
যে আমার অসম্ভব ঘুম পেয়েছে।
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
আসা যাওয়া পথে
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন