-------------------------------------------------
চলতে থাকা নিশ্বাস মানে বেঁচে থাকা
এই অনুভূতির ভিতর একটা উপন্যাস আছে ।
হাত পা ছুড়ে আস্ফালনে সবসময় একটা চিৎকার যেন, আর
বুকের ভেতর জ্বলন্ত হাপরে আগুন।
পুড়ে যাওয়া বুকে , লুকোনো কালসিটেতে যুদ্ধর ছোটো ছোটো
ফরমান,, কি অদ্ভুত তাই না!
সব চিৎকার সময় নাই বা শুনলো, নাই বা সমাজ,
হৃতপিন্ডে জীবিত ইচ্ছারা শেষতক ভীষণ সবুজ
থাকতে জানে।
এক কিশোরী বোঝে না সে সদ্য তার কৈশোর ছিড়ে
বেরিয়ে এসে মায়ের ভুমিকায়... সময় হিচড়ে আনে
তার সমস্ত স্বতন্তর থেকে কচি মন হয়ে যায় ক্রমশ।
দরকচা নিয়মের বন্দিনী।
অনেক অস্বাভাবিক নির্ঘুম রাতকে স্বাভাবিক ভেবে
নেয় এমন অনেক অবুঝ কিশোরীর শরীর।
একটা মন বীষঘুমে আচ্ছন্ন হতে থাকে ক্রমশ,,,
নিয়মের আখ্যা দিতে পারা খুব স্বাভাবিক কারন সেও তো
সমাজের তৈরি ।
নিয়মিত দু চারটে প্রতিবাদ বুকের ভেতোর জন্মায় আর মরে
মোমবাতি মিছিলে আলো হৃদয় সামিল হয় কি? এ প্রশ্ন অবান্তর,,,,,,
বহু মৃত্যু নীরব থাকে এই পৃথিবীতে। সহজে
নগ্ন করে দাঁড় করানো যায় একটা জীবিত
মনকে আর যুক্তির সৈন্যদল হামলে পড়ে
চলতে থাকা নশ্বাসের উপাখ্যানে।
এ পোড়া দেশে এক মুঠো মাটি নেই নারী শব্দটুকু রাখার,,,
সেখানে বেঁচে থাকা কেবল সামাজিক খিদের উপকরণ
চীতায় সহমরন কখনো কোনো পুরুষের নয়।
অথচ কিশোরী কখন যে পুরুষটির অর্ধাঙ্গিনী,,,
কি অদ্ভুত।
ঈশ্বর তোমার হিসেবের খাতায় এমন কত গড়মিল?
সেই তুমি যুগ যুগ ঈশ্বর এর ভুমিকায়,, আর তোমার
পুজোর ডালি এমনি হাজারো কিশোরী থেকে নারী
স্বত্তা গোপোন কান্নায় সিঞ্চিত ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন