বাঁচতে শেখায়নি সেই ছোট বেলার বরুণ মাস্টার তবে
সিঁড়ি ভাঙা অঙ্ক শিখিয়ে ছিলেন,
শিখিয়ে ছিলেন একবার একটা সংখ্যা ভুল হয়ে গেলে
সবটাই ভুল সংখ্যায় ভরে যায়, শেষ ফল কেবল ভুল সারাটা পাতা জুড়ে।
তবে সেই ছোট বেলার মাস্টার মশাইরা শিখিয়ে ছিলেন
সময়ের গুরুত্ব চিনে নিতে ,
শিখিয়ে ছিলেন মনোযোগ শব্দটায় সব দরজা বন্ধ করা জরুরি তবেই নিজের ভেতরে সিঁড়ি বেয়ে একান্তে নামতে পারা যায় ।
আমরা সব্বাই বাইরের দরজা জানলা খোলা বন্ধ শিখলাম
শিখলাম যোগ, বিয়োগ, গুণ ,ভাগ ,ভাগ শেষ , ফলাফল , কিংবা কেটে বাদ দেওয়া ,
আর এখন তো পরিচিত শব্দ ব্লক কিংবা কুইট।
বড্ড হাসি পায় ...বড্ড হাসি পায় আমাদের এই শব্দের ব্যবহার দেখে ,
বাহ্যিক সবটুকু তে কোত্থাও অন্তরের যোগাযোগ নেই
সে মহলের দরজা জানলা খুলতেও শিখলাম না আর বন্ধ করতেও শিখলাম না ।
তাই অঙ্ক শব্দটা খুব সহজ হয়েও আমাদের কারো কারো কাছে স্রেফ হিসেব আর জটিল থেকে গেলো ।
বেচেঁ থাকাটা কাটাকুটি খেলা ....
বেচেঁ থাকাটা রঙের মেলা ....
বেচেঁ থাকাটা নিজেদের গল্প
বেচেঁ থাকার কাহিনীকার আমরা নিজেরাই
বেচেঁ থাকাটা একটা শিল্প,
এই জন্মের নাম টুকু ছাড়া সবটাই আমরা সাজাই নিজের মত করে, সংখ্যা সাজাই, মঞ্চ সাজাই , হিসেব আর জিতে যাওয়া সবটা,
...অথচ না পারা আর ব্যর্থতা গুলোর ভার সময়ের ওপর
কিংবা অন্য কারো ওপর চাপিয়ে নিস্তার পেতে চাই নিজেদের
থেকেই ,
ভয় পাই নিজেদের আয়নার সামনে পোষাক বিহীন নিজেকে
দেখতে ,
ভয় শুধু মৃত্যুর ,একটা মানুষ জন্মের পর অজস্র বার মরতে
মরতে শেষ মাইল স্টোনে এসে পৌঁছায় ।
দু ফোঁটা চোখের জলও তখন আর অবশেষ থাকে না
শুধু একটা দীর্ঘশ্বাস আর সেই দরজা... যে দরজার চৌকাঠ পার হলে ফেরা হয় না আর ,
পরে থাকে এক মুঠো ছাই ...
সব অঙ্ক না মিললেও শেষ অঙ্ক কেউ একজন দৃশ্যের বাইরে থেকে মিলিয়েই দেয় ।
একটা জীবন নিজেকে শেখার চেনার জন্য কেমন যেন কম পরে যায় তাই না!
#সই ( অঙ্ক)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন