রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬

ঈশ্বর

 ঈশ্বর তুমি ছুঁয়ে যাও যমের মত
হঠাৎ তোমার স্পর্শ  কেমন হিম শীতল লাগে ফুরিয়ে যায়
পুরোনো  ওম  এর মত
হঠাৎ সর্বস্ব গ্রাস করে নাও শয়তানের বেশে 
কিছুই  আগের মত নেই অথচ একটা ভাবনা থেমে  থাকে শহরের গলির  মাথায়,
রাস্তার পাশে বিসর্জনের  মন কেমন,ছেঁড়া স্মৃতির ভাঙ্গা দর্পণ,
 বিষন্ন মন আর ভালোবাসা শুকিয়ে যাওয়া ফুল,
সব ছাপিয়ে একলা মুহুর্ত   উত্তরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকে চুপ করে।
কিন্তু রোশনাই  আবারো কোনো না কোনো মনের বারান্দায় অপেক্ষায় ...
ঈশ্বরের মুখেও তোমার মুখ 
মনে থাকা ভুলচুক হয় না মুহূর্তদের ভিড়ে অসংখ্য টানাপোড়েন দলা পাকিয়ে ডুকরে ওঠে। 
.
কত কথা তো মনে পরে 
কত কথা তো বলার থেকে যায়  মানুষের
পুরোনো জামার মতো হঠাৎ কেমন ছোট পরে যায় জীবন ,
হৈচৈ করে সেই অভিমানী ঈশ্বর 
আজও যার   আলতা রাঙানো পা রাখা আমার বুকে 
 দাগটুকু  থেকে গেছে স্বাক্ষর হয়ে।

আমি আজও হাসি ,ভাবতে ভালো লাগে 
ঈশ্বর হওয়া থেকে অসুর হওয়াই ভালো 
কারণ তবেই বোধহয় পৃথিবীর জন্মদ্বার দর্শন হয়। 
.
সবকিছু গোলমাল হয়ে যায় উৎসবের পরের শহরে 
দু শালিখ ,কিংবা তিন শালিখ ,কোনো পরিসংখ্যান টেকে না 
ঈশ্বর বোধহয় ফুরিয়ে মানুষের যন্ত্রনা খোঁজে। 

আমি চেয়ে থাকি দূরে রাস্তার দিকে 
আজ উদযাপন ,কাল বোধন ,
ঝপাং করে একটা শব্দ হয় চোখের জলে 
এর থেকে বোধহয় আর জোরে কাঁদা যায় না ,
ঈশ্বরের অপেক্ষায় পরে থাকে অবশিষ্ট কাঠামো আগলে জীবন 
আবার অপেক্ষা অন্যদিনের  
হা ঈশ্বর ,সত্যি কি শুধু একটা সময় 
আর উৎসব শব্দটা শুধুই সাময়িক।

#সই(ঈশ্বর)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন