সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭

তোমার কবিতা (২)

আমার চোখে শেষ রাতে আকাশের গায়ে রাত তারারা যাপন সময়ের
ইতিউতি আঁকে..
তখন সুজন তোমার বুকের নিবিড়ে অংগিকারে
শব্দজব্দ,,
তুমি সেই শব্দজব্দ থেকে শেষ কিছু কাল হারিয়ে গেছ।।
একটা  শব্দ ,বাঁচাটা একটা পরিসর, তুমি আছ তবু নেই তুমির সংসার।
তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে কাঁপতে থাকা স্নানঘরের
সমস্ত বাষ্প   হুকুম তামিলে ব্যেস্ত। , জ্বলে ওঠা প্রদিপের
বুকে রাত পুড়ছে,, আর বিছানা বালিশে অন্তরশোক রোজ দাউদাউ জ্বলছে।
সুজন আগুন পথের পথিক তুমি! দাঁড়িয়ে আছো শতাব্দীর গোলার্ধের বাইরে,
শুধু তোমার দুটো চোখ পাখির মত সময়ের অলিগলি দেখছে আকাশ পথে।
সকলের একটা গল্প থাকলেও তোমার গল্পের কাহিনী
সম্পর্কর বর্ন গুলো জুড়ে কখন যেন মানুষের গল্প হয়ে যায়।
যে নগরে তুমি আমির বাস সেখানে আজকাল
তেমন কেউ আসেনা, দু চারটে করমচা পাতায়
যাপনীয় ক্লান্তি বিছিয়ে দুজনে ফিরে দেখি
একটা ইচ্ছার কারুকাজ করা সেই বাড়িটার
কড়িকাঠ... 
আর কবির ঈশ্বর সত্ত্বা থেকে নেমে আসে নির্বাসিত ভালোবাসা।
আঁচলে মুড়ে তোমার ঘরে জোনাকির আলো
রেখে যাব একথা সত্যি, সাদা কালো পাতায়
পাশাপশি তিব্র গন্ধ চেতনাকে অবশ করে দেবে সে রাতে।
বুকের গেরস্থালীতে তোমার চালে ডালে বেঁচে থাকা
আমি দেখতে পাই সুজন...  এযেন এক জালের
সমিকরনের উল্টো দিকে তুমি বসে আছো
আর ঈশ্বর এর হাত থেকে সময় হেঁটে চলে যাচ্ছে
অবচেতন স্রোতের ধারায়।
তবুও বলতে ইচ্ছে করে তুমি আছ তাই
পৃথিবী আজো বাসযোগ্য,
তুমি আছ তাই এই কংক্রিট এর জংগলে
কিছুটা অক্সিজেন এখনো আছে,, তুমি আছো
তাই বুকের অন্ধকার ঘরে জোনাকির আসাযাওয়া এখনো বান্ধব রঙ ছড়ায়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন