শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২২

সবকিছু নান্দনিক

  সবকিছু  ভীষণ   নান্দনিক 
জীবন মানে অনুভবের পাত্রে জড়িয়ে থাকা ওম
সব পবিত্র হয়ে যায় স্বচ্ছতায়  ডুবে থাকা সম্পর্কে  
যেন নিজস্বতার আহুতি  নিজের ভেতোরে নিরন্তর। 

দাউ দাউ আগুন পুড়ে যাওয়া  সময়ের ঘরেও ভালবাসা ঘর বাঁধে, 
নিকোনো উঠোনে  অপেক্ষায় প্রদীপ  জ্বলে প্রতিটা সাঁঝবেলায়, 
 কারণ  নির্লিপ্ততায় কাঁটা তার শব্দটা  বেমানান  চিরকাল । 
.
অসমাপ্ত  জীবন বলে কিছু হয় না 
প্রতিটা দিনলিপিতে  অসঙ্গতির আড়ালে আসলেই সমস্তটা সংগতিপূর্ণ ,
 অজানা অচেনা অথচ ভীষণ  চেনা কেউ আছে মনের জমিতে ঘর করে, আছে  হাজারো গল্পের
বুনোনের সুতো তার আঙুলে  । 

 অজস্র মুহুর্ত,  একটা  বিশাল উপন্যাসের খোলা পাতায়... 
মহাকালের চরিত্রদের   জন্ম ও মৃত্যুর মাঝ পথের গল্পে 
  অসমাপ্ত খোলা পাতায়  জীবন লেখা পরিপূর্ণতা পায় ।
.

 মানুষের  বুকের কাছে জমা হয়ে থাকে অনুভবের  খালি  পাত্র। 
সময়ের গভীরে হাঁটতে হাঁটতে   সম্পর্কেরা ছুঁয়ে  দিলেই সে পাত্র ভরতে থাকে ফোঁটায় ফোঁটায়,
 ভালো থাকা, খারাপ থাকা  আসলেই  ক্যানভাসে ছবি আঁকা  শিখে ফেলার মত রপ্ত করে নিতে হয়,
 ভালোবাসতে চাওয়াটাও  কারণ ছাড়া  শিখে নিতে হয়, 
আর এই শেখা গুলো  পরিনতির ঝুলিতে তৃপ্তি সঞ্চয়  করিয়ে দেয় শেষ উপসংহারে ।
হ্যাঁ  কখনো কখনো সময়  মুখোশ পরে   দাঁড়িয়ে মুখ ভেংচায়, 
 তবু মানুষ  সুকৌশলে বাঁচাটা শিখেই নেয় । 

 একলা মুহুর্তে  ফিরে  ফিরে আসা ফ্ল্যাসব্যাক  হয়তোবা কাঁদায় কিংবা  হাসায়, 
সে কান্না হাসিতে  কিছুই বদলায় না চলন্ত মুহুর্তে 
 মানুষের ভালো থাকা  তার নিজের কাছে
অনুভবের খালি পাত্র জীবনের নানান রঙের কিস্তিতে ভরে যায়  ঠিক, 
আর মেঝের উপর গড়াগড়ি যায় কিছু অহংকারে খোলস।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন