মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২২

দিন পেরোচ্ছে

দিন  পেরোচ্ছে, আবার নতুন আকাশ দেখতে পাচ্ছে মেয়েটা 

ঝকঝকে সকালে সাদা খাতায় তার সূর্যদয় আঁকা  আবারো সে শিখে ফেলছে 

 লক্ষী মেয়ের ট্যাগ সরিয়ে অলক্ষীর নেমপ্লেট মেয়েটার দরজায়, 

 অলক্ষীতেই বিশ্বাসী  সে আজকাল

ভালোবাসায়  রাখা  মাটির মূর্তিগুলো ইউসলেস আজকাল তার ড্রইংরুমে,  

মেয়েটার কিচ্ছু যায় আসে না এ নবরুপি পোষাকে তাকে আসলে কি চোখে দেখছে শহর, 

এখন কারো দেখার সার্টিফিকেট  নিয়ে মেয়েটা জীবনের ফাইল ভরে রাখে না। 


.

 টের পেতে চায় না কোন সাধনায় সে আরাধ্য


মেয়েটা একদিন যে দরজাগুলো দিয়ে খালি হাতে ফিরে এসেছিলে  তাদের দিকে ছুড়ে দিচ্ছে আতসবাজির ফুল্কি,


ইদানিং ও চোখে চোখ  রাখতে এ শহর কে ভাবতে হয় কিছুক্ষণ,  

 নিজের লড়াইটা একলাই অনায়াসে  লড়তে শিখে গেছে সে   

.

  শরীর জুড়ে আজস্র সৈন্যের দল

 সশস্ত্র  হাত  , ভালবাসার  শ্বেত পদ্ম নামিয়ে বজ্র তুলে নিয়েছে, 

 আঙুলে আজকাল জ্বলন্ত মারিওয়ানার বেপরোয়া খেলা, 

 চোখের ভাসায়   নতুন  অভ্যাসের জন্মদিনের রোসনাই 

 সুজন তোমার  শহরের কাছে সবটাই একটু বেশি রকম বদল তাই না? 

যে মেয়েটা এক সময় বাঁচার জন্য ,ভালো থাকার জন্য নিজের  নির্ভরশীল একটা ছায়া খুঁজে ফিরতো


আজ  নির্ভরশীল শব্দটা তুড়ি  মেরে উড়িয়ে দিয়ে অট্টহাসিতে হারিয়ে যায়  সে শ,...  হাজারো মনের ছায়া মেয়েটার অস্তিত্ব। 

যে মেয়েটা আজ থেকে বছর দুই আগেও ভালোবাসতে চোখের জল ফেলতো 

সে আজ খুব অবহেলে ভালোবাসা শব্দটার সফর করে এ শহরেই  ,

সময় বদলায়  

 আর বোকা বানানো সম্ভব নয়  সুজন তোমার সেই বোকাসোকা  মেয়েটাকে।

 পায়ের জুতোয় আজ টিপে রাখে ভালোবাসা নামে প্রহসনের  গলা 

হ্যাঁ  বোকা  মেয়েটা জেনে গেছে ভালোবাসা একটা মরীচিকা।

আর সে মরিচীকায় ডুবতে  নেই কেবল ডুবে যাওয়ার অভিনয় টা শিখে  নিতে হয় জবরদস্ত। 


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন