বাঁচতে চাওয়া কি আসলে একটা অভ্যেস মাত্র?
অভ্যাস ধরে হাঁটতে হাঁটতে
একটা গোটা জীবন পেরিয়ে আসে মানুষ,
সময় মাঝে মধ্যেই অসম মুহূর্ত থেকে গলাধাক্কা দিয়ে বার করে দিতে পারে
সেখানে সময়ের কখনো ক্ষতি হয়না,
বরং বেয়াড়া বিকেলে সেই সব মুহূর্তদের পাশে বসে এক কাপ গরম চায়ের ওমে নিজেকে হাওয়ায় মিশে যেতে দেখতে বেশ লাগে।
যারা মৃত্যুর কথা বলে তারা আসলেই মরে গেছে অনেক আগেই
.
যারা অন্ধকার ঘরে হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে ভাবে আহা কি দুঃখ
তাদের দুঃখ কেবলি রবিঠাকুরের কবিতা ও গানের ভেতোর
যারা সাজানো দুঃখে সুখে পাশে থাকবে বলে তারাও আসলে সাজানো মঞ্চের অভিনেতা অভিনেত্রী, পর্দা নামলেই অন্য এক চরিত্রে রূপান্তরিত।
জন্মান্তরের কথায় তাদের অনেক সাজানো গল্প থাকে জলখাবারের প্লেটে , তারা সব সাজানো সোনার তৈরি সে খাবারে খিদে মেটে না সে সম্পর্ক চোখের জল মুছে নেওয়া যায় না ।
বাঁচতে চাওয়াটা আসলে একটা দারুণ সফরের অভ্যেস,
মানুষকে বহুবার অসম মুহূর্ত পথের ধুলোয় খোলা আকাশের নিচে মিশিয়ে দেবে থাকবে না সেখানে
সামান্যতম সমবেদনা ,
আমরা জানি ভিক্ষুকের মানচিত্র লাগে না, লাগে না কখনো কোনো সীমানা তবু তার অন্তরমহলে এক শান্তির মন্দিরে স্থাপিত থাকে গভীর দর্শন ,
কাঁদতে পারে যারা তারা ভালবেসে দুঃখ কেনে নানান কিস্তিতে,
আর নকল হাসতে পারে যারা তারা সুখী দেখাতে চায় এ দুনিয়াকে আসলে তাদের ভেতোরে দারুন প্রেমহীন হাহাকার উপচে পড়ে।
সীমাহীন গন্ডির বাইরে কিছু স্থবির অস্তিত্ব
হাত পা ছড়িয়ে ঘুমোতে থাকে,
বেঁচে থাকে বেঁচে থাকার অভ্যেসে
কারণ সেই সব আসম মুহূর্তদের পাশে বসেও
তারা মৃত্যুর কথা না ভেবে বেঁচে থাকার অভ্যাসকে রপ্ত করে নিতে থাকে বারংবার।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন