সহবাসের হিসেব দিয়ে কবিতার সংসার সাজানো
মাংসের শরীর চেনা হয়ে গেলেই পুরোনো
আর প্রশ্ন না ফুরোলে মন হয়ে যায় বিকলাঙ্গতার অধিনে,,
ঈশ্বর কে ঠিক কেমন দেখতে... মহামারীর মতো নাকি
প্রেমের কবিতার মতো নাকি সীমান্তে দাড়িয়ে থাকা সেই
সেনাবাহিনী মধ্যে কোনো এক সেনার মতো কে বলতে পারে!
মানুষ পানের পিক ফেলতে ফেলতে হাঁপিয়ে উঠলে
ঈশ্বর খোঁজে না... আসলে খিদে পাওয়া পেট গুলো
ডাস্টবিনের বাসি রুটি মধ্যে ঈশ্বর দেখে।
প্রেমের আশ্রয় শরীর ছড়িয়ে নাকি
বিক্রি হয়ে যাওয়া মেয়েটা বাড়ি ফিরতে চাইলেও
বন্ধ রাস্তাটার মোড় ঘুরিয়ে অপমানে মুখ বেঁধে সুইসাইড পয়েন্ট এ যখন দাঁড়ায় পেছন থেকে হাত বাড়িয়ে জীবনে দিকে ফিরিয়ে আনা হাতটা আশ্রয় ?...
বুঝি না কিছুই বুঝি না... বরং হাসি পায় যখন কেউ আকাশের গায়ে থুথু ছেটায় আর চিৎকার করে বিলাসী শোক পুড়িয়ে নিজেকে রংমঞ্চের পাগলা দাসু ভেবে হাসতে থাকে কাঁদতে থাকে কবিতার কাব্যের সংসারে একটা তাসের দেশ সাজায়,
জানতে ইচ্ছা করে এরা কে?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন