আকাশ কিংবা গাছ হতে চাওয়া নয়
ভরসার ওমে পাশে পাশে থাকা টুকুর নামই
সময়,
অসময়ে ঝড় আকাশ কিংবা গাছ কে এলোমেলো
করলেও বুকের কোটরে আবারও নিজস্ব বাসা ঠিক বেঁধে নেয় ভরসা।
সময়ের কবিতায় সমুদ্র আছড়ে পড়ে
জল ছুঁয়ে উড়ে যাওয়া পাখির চোখেও কখনো কখনো
বাঁধ ভেঙে যায়...
সাহস ফুরিয়ে বিশ্বাসের ঘরে পচে যাওয়া মৃত্যুর বাস কেনো তার কোনো উত্তর নেই আকাশের কাছে,
তবু সুভানের কথায় গাছেরা নাকি মানুষের রঙ চিনে নেয়
মুখ আর মুখোশ চিনে নেয়...
জানি না সত্যি কি আর কোনটা,
আমি চোখের সামনে উনিশ বছরের আকাশ মুখি গাছের সংসারে বাজ পড়ে ছাই হতে দেখেছি,
আমি উনপঞ্চাশতম প্রেমের পিঠে ঘাতক প্রেমিককে ছুরি বসাতে দেখেছি,
আমি চোদ্দমাস ও ছ বছরের শিশু ও তার মা বাবার এক সাথে হত্যা হতে দেখেছি বুকের দেরাজে রাখা সম্পর্কের কাছে।
উফ... হ্যাঁ তার পর বহু রাত আমি ঘুমের ভেতর সে সব
রক্তাক্ত জমির ওপর হেঁটে আকাশ গাছ দেখি,
দেখি রক্তের বৃষ্টি ... দেখি গাছেদের পাতারা সব লাল রক্তবর্ণ।
গলার কাছে কান্নারা দলা পাকিয়ে নামলেও আমি
বিশ্বাস আর ভরসা খুঁজে গেছি সে সব রাতেও।
আমি শহর সম্পর্ক ছেড়ে শ্মশানে গিয়ে সেসব রাতে
শান্তির ঘুম দেখেছি... দেখেছি সময়ের ঘরে এতো দেন পাওনা
, নালিশ এর লেনদেন, সম্পর্কের দাড়ি টানাটানি খেলা সব কেমন সুতোর এপারে শান্তির আগুনে..... পুড়ছে,
অপেক্ষারা তবু কেনোর উত্তর খুঁজে ফেরে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন