বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৩

জীবনের হাইওয়ে

 


মানুষের বুকের ভেতর  নিস্তব্ধতার শব্দটুকুই নিজের 

গভীরে  যাওয়ার  সংকেত, 

অথচ  মানুষ  সভ্যতার মধ্যে  সাজিয়ে রাখা ছবিগুলোর 

অন্তর-দর্শনে  ব্যাস্ত, 

বেঁচে থাকার পথের মাইলস্টোনে অলিখিত  অপেক্ষা থাকে 

...থাকে চোখের  বাইরে দোকানে সাজানো তৃষ্ণার  কিস্তি,

মানুষের  বাঁচাগুলো  মানুষ  সস্তায় নিলাম করে সাজানো তাসের সম্পর্কে আর তারপর  হয়ে ওঠে  নির্ভরশীল দাস। 

কখনো কখনো  মনে হয় মানুষ  হয়তোবা  পরজীবি লতিয়ে

ওঠা স্বর্নলতাটি  যেন  নিজস্ব গল্পের আড়ালে প্রকান্ড কোনো 

গল্প জড়িয়ে  পেঁচিয়ে  শেষমেশ  তার বেঁচে থাকা,


অনুভুতি গুলো আগুনে পুড়ে বোধি লাভ করে একসময়, 

ক্রমশ  বুকের ভেতর  গল্পেরা জীবন্ত অথচ  বন্দী  ফ্রেমে আটকে  পেরেকে ঝুলতে থাকে,, 

স্বপ্নের  ঘর বাড়ি স্বপ্নকে পেছনে ফেলে একলা বাস্তব হয়ে দাঁড়ায় তখন নাম হয় জীবন-মুখি। 


 হাজারো অপেক্ষা  মরতে থাকে জন্মায়  

বাড়তে থাকে  পিঠের  ঝুলিয়ে  রাখা হিসেবনিকেশ ভর্তি বস্তার ভার, 

কমতে থাকে  খুশির রোশনাই মাখা হাসিটুকু ,মিশতে থাকে সময়ের ভিড়ে ঘোড়া ও ইঁদুরের  একসাথে দৌড়। 

 উপসংহার  -- 

স্মৃতিগুলো  ধুলোয় কবরিত হোক 

জীবন বাঁচুক বাঁচার তাগিদটুকু নিয়ে 

 জীবন জীবনের অপেক্ষায়  জন্মায় ও মরে যায়... 

 সব মানুষ  বুকের ভেতর  নিস্তব্ধতা শব্দটুকু  শুনতে পায়না 

সারাটা পথে... তবু মানুষ সুকৌশলে  বেঁচে থাকতে  শিখে নেয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন