কোনো পদচিহ্ন কিংবা শব্দ রেখে যেতে চাইনা,
দরজার হাতলের থেকে শেষ স্পর্শ মুছে গেলাম,
আমার আঘ্রাণ যেন আসবাবপত্রে লেগে না থাকে ,
সব শুন্য হৃদয়পুরে নিঃশব্দে থাকলো বোবা কান্না।
সুখের ঘরে তুমি একা থাকতেই ভালবেসেছ
রুমালের সুগন্ধী তাই বিষাক্ত,
বিশ্বাসের মাটি দিয়ে কবর ঢাকা ভালবাসা
বুকের ভেতর পুষে রাখা মুহূর্তর স্মৃতির ছায়া আজ বড্ড ভয়ানক,
নালিশ ফুরিয়ে গেলে সম্পর্ক গুলো মরে যায়
আর ভালোবাসার স্মৃতি রূপকথা হয়ে যায় ।
পাহাড়ী বাড়ির কাছের বারান্দায় খালি ক্যানভাস
আর কবিতার খাতায় তখন ভারি জমাট বরফ,,
চায়ের খালি কাপে সময়ের অভিমানী ধুলোর পরত,
জানলার শার্শি তুলে অপেক্ষা আর দাড়িয়ে নেই
কারণ এখন আমি সাহসের মশালে আগুন ধরিয়ে
ঘুন ধরে যাওয়া আশা পুড়িয়ে ফেলেছি ।
প্রথম দিন মনে নেই মনে নেই প্রথম স্পর্শ কিংবা শোভাবাজার ফেরীঘাটের
অপেক্ষা ,
বারংবার তুমি আসতে পারোনি অজুহাতের ব্যারিকেড ভেঙে
তারপর আমি আর কখনও মিথ্যে অপেক্ষাকে প্রশ্রয় দিই নি ।
রোজ নিয়ম করে আসাযাওয়া আমার অথচ সে আসাযাওয়া পথে চেনা চোখ ভীষন অচেনা
ভিতরের ঘরটা ফাঁকা থাকলেও মুখের আদলে মুখোশ নেই আর নেই হারানোর ভয়।
#সই
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন