বুধবার, ১ জুন, ২০২২

কিছু কথা

মাঝে মাঝেই চলমান প্রচ্ছদের পাতা উল্টে 
যন্ত্রনায় কুঁকড়ে থাকা ক্ষত গুলোর কাছে এসে দাঁড়িয়ে থাকি ,
চোখের উপত্যকায় জীবন্ত হয়ে ওঠে মাটির তিন হাত নীচে রাখা ফসিল গুলো ।
 বেঁচে থাকার  মুহূর্তকে অক্ষত রাখার জন্য  বারংবার ক্ষত বিক্ষত করে ফেলা মন্দবাসার সকল বেলা  কখন যে দেহ থেকে ফুরুত হয়ে অসীমে মিলিয়ে গেছে এ মনে এ চোখে তা ধরাই পড়েনি ।
আমি করবা থেকে কাহানি হয়েছি .....তবুও করবা আমায় বেঁধে রেখেছে তন্ত্রমোহে ।
আজ সে বেলা শেষে  কেবলই পচে যাওয়া পুঁজ রক্ত আর বিষাদ লেগে থাকা উপসংহার ।
রোজ রোজ কারা যেনো আসে বিছিয়ে রাখা গল্প গুলো কে নজিরদারী করতে , আমি বিশ্বাস ভাঙা মনের দেওয়ালে নতুন করে ইঁটের গাঁথনি তুলি তারপর ....ওরা বিনতুঘলক এর ভূমিকায় আমার শুশ্রসায় বাঁচিয়ে রাখা ঘরটুকু বেআব্রু করে যায় নিজস্ব স্বভাবে ।
এখন ইচ্ছা নদীর কোনো ঘাটেই আমার সুজনের ঠিকানা রাখা নেই,  এক অদ্ভুত বৈরাগ্য উপহার পেয়েছি যত্ন করে আসা মন্দবাসার কাছ থেকে ,
যে উপহারে শব্দেরা মাথা নিচু করে বোবা হতে চায় লজ্জায় ,,,
যে উপহারে কালের ইতিহাসে অমর হয়ে যায়  কোনো কোনো তিরস্কারে মোড়া মুহূর্ত ।
....কিছু না চাওয়া নিঃস্ব মুহূর্ত গুলো কখনো কখনো সব চেয়ে বড় চাওয়া হয়ে যায় জীবনের পর্বে ।
এসব ভাবতে ভাবতে জন্মের উদ্দেশ্য খুঁজে ফিরি রোজ ঘুম ভাঙা সকাল থেকে শেষ ফিরতি ট্রেনের হুইসেল পর্যন্ত ।
মলাটি রাজ্য পাঠ বন্ধ করে ঘুমোতে যাই .....তোমার দিকে পিঠ রেখে ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন