সে দেখে বাড়ি ফেরা পাখির দল আকাশটায় অপেক্ষার কমলা রঙের অভিসার পেতে রাখা যত্নটাকে ,
শাখের আওয়াজে ,আজানের স্ত্রোতে কৃষ্ণকলির বাঁকা ভুরুর উদ্বিগ্ন চেয়ে থাকাতে বাড়ি ফিরে এসো ডাক ছড়িয়ে যায় শহর থেকে ভুবনডাঙ্গার মাঠ অবধি ।
কোকিলের অদ্ভুদ মাতোয়ারা আবেগী কুহুক জড়াতে চায় আপন বলতে যা কিছুই হৃদয় বোঝে ।
উত্তরের বারান্দার রঙে সন্ধ্যে লাগে.... একের পর এক আবরণে ঢেকে দেয় পৃথিবীর মুখ ,
শামুকের খোলসের মুখে কেউ কেউ দাঁড়িয়ে থাকে এমন লগঞ্জিতা মুহূর্তে...।
নিজের ভেতর আলো আর আধারের সঙ্গমকে গুছিয়ে নিয়ে পুঁজির দেরাজে লাল কাপড়ে বেঁধে সংকল্পে গুঁজে রাখে ওই 'সে' নামক চরিত্রটা।
পাড়ার মোড়ের মাথায় তখনো বেলা শুরু আর বেলা শেষের কথোপকথন চলে .... ,,,
আমার উত্তরের বারান্দার ভেতর অদ্ভুত খিদে লেগে থাকে অমন অনেক দৃশ্যের ,
রোজ রোজ উত্তরের বারান্দা কে আমি আমার নিজস্ব স্বরলিপিতে ইমন কল্যাণ থেকে মেঘ মল্লার পর্যন্ত সফর করতে দেখি ,
.....দেখি আমারই মত কেউ যেনো তার পুরোনো গিটারের জং মুছে অন্তর রোশনাই দিয়ে আকাশের মতোই অন্ধকারের ভেতরও আলোর অবগাহনের দিকে এগোচ্ছে,
উত্তরের বারান্দার ঘরে ফেরা আকাশের কাছে আমি ঋণী হয়ে উঠি ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন