রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২

এলোমেলো

আবছায়া স্বপ্নেরা সাদাকালো গল্প লেখে শহরের বুকে ,
মাটির ভেতর ঘুমিয়ে পড়া ইচ্ছেদের শেকড় শুধুই যেন নিম্নগামী ,
 কংক্রিটের জীবন গুছিয়ে ছেলেটার বেঁচে থাকা গদ্যময় হয় কখনো  না ,
 হাজারো কাঁটাতারে জখম তার অভ্যন্তরীণ মানচিত্র ,।
দূরে কোথাও হাতছানি দিতে দিতে রাত্রি ছুঁয়ে হারিয়ে যায়  ছেলেটার ক্লান্ত স্বপ্নেরা।
শিরা উপশিরা জুড়ে   অর্ফেরণ এর বহতা যেন  শহরটাকে নাগপাশে পেচিয়ে রেখেছে  বহুকাল,
 উৎসবে মেতে ওঠেন ছেলেটার মত এ শহর ,  নির্ঘুম ইনসমনিয়া বহুকাল  কাটে এক অদ্ভুত  ঘোরের মঘ্যে।।
মানুষ গুলো মন খারাপের কারণ খুঁজে পায় না বলেই হত্যা করে ভালো থাকার নিদেন টুকুও ।
 আজকাল ব্যাকরণ বদলে গেছে যে  বেঁচে থাকার ।

...ওরা নামে কিছু প্রাণী বাঁচে কোনো কৌশলে , এরা নামে কিছু প্রাণী বাঁচার কৌশল  জানে না বলে লাশ নামের ট্যাগ জুড়ে রাখে পায়ের বুড়ো আঙুলে   , 
সংবিধান জানে নিয়ম... আর বেঁচে থাকা জানে রুটি কাপড় ছাদ এই থেকেও বেশি কিছু দরকার ,
সংঘাতে এ আগুনে পুড়ে যায় সম্পর্ক আর বেঁচে থাকার সহবাস টুকু ।
শহর নিজের বুকে নিজের উপকথা লুকিয়ে রাখে রোজ। 

বরফ ঘরে রাখা লাশের কপালে।বিন্দু বিন্দু ঘাম ইতিহাস ঘাটবে বলে আবহাওয়া বদলে মেঘ বৃষ্টি নামায় , 
হাত বদলে যুক্তি গুলো রং বদলে নেয় ,
চেনা শহরে সব কিছু অচেনা লাগে রোজ দশটা পাঁচটা সাইরেন এর সাথে জীবন চাবি দেওয়া ছেলেটার ।
ভোকাট্টা ঘুড়ির মত অদ্ভুত ঝুলতে থাকে বেঁচে থাকা ছেড়া  ইচ্ছেগুলো ।
আমার কবিতার মত অনেক কবিতা হঠাৎ শব্দ অন্ধ হয়ে নিয়ন বাতির নীচে অক্ষর খুটে নেয় ।
দিনের আলোয় সে কবিতা এই শহরের মতোই সাদা কালো আবছা ।
এ শহর  সে শহর জুড়ে যায় বিষণ্ণ আবেশে অহংকারী মন খারাপ1 এর সেতুর ভেতর ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন