যে বৃষ্টি আমায় ফিরতে দেয় না ঘরে আমি তার সাথে ভিজতে ভিজতে শোক ও সুখ দুইই ধুঁয়ে নিই দারুন ভাবেব। নিজেরই পাপছায়া হারিয়ে যায় ফুঁসমন্তর হয়ে।
এভাবেই মেঘে নেমে আসা শহরে আমি একলা হতে ভালোবাসি বারংবার বার। দেখি ফেলা আসা আত্মিক সুখ লেগে থাকা মোড়ের শেষে
দাঁড়িয়ে থাকা মোহের নেশার এতটুকুও আজ আর এই।
জীবনের নেশায় আমি দাঁড়িয়ে আছি এখন পাপ ধুঁয়ে দেওয়া বৃষ্টির ফোঁটা মেখে নিতে ,
যে পথ আমার জীবনের চেয়েও প্রিয় ছিল সে পথ
উষ্ণতা হারানো বলেই মেনে নিয়েছে মন
। এক একটা গল্পের কাছে কখনো কখনো
আমরা ঋণী হয়ে থাকি সারাটা জীবন; একটা মোহের কাছে নিজেকে কাঙাল হতে দেখতে ভালোবাসি চিরকাল।
কিছু কিছু গল্পে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার তীব্র লোভ
লালন করে মানুষ তার মন কোঠায়,
সে গল্পে থেকে যাওয়ার জন্যে রোজ বোধিবৃক্ষ পরিক্রমা করে ।
একটা পাগল-মন আদ্য প্রান্ত ভিখিরি হয়ে ঘুরে বেড়ায় পথে পথে। অথচ
একটাই পথে সে চিরকাল হারিয়ে ফেলে বারংবার নিজেকে।
প্রিয় মুখের কাছে আমারই মৃত ছবি পড়ে আছে মাত্র।
কানে কানে আর কেউ কখনো বলবে না ...ভালোবাসি...ভীষণ ভালোবাসি তোমায়।
রাত গাড় হয় , সে তো যতবার হাওয়া আদর খোঁজে ততবার
কলঙ্ক সাজিয়ে পেশ করে সে তার সমুখে
বাতাসে তার নামে কুৎসা উড়িয়ে সে অমোঘ সুখ নেয়...
শব্দের কাছে মানত করে একদিন শব্দহীন হওয়ার
যে শহরে ঠকের মান বেশি, হৃদয়ের দালাল বেশি
সে শহরে সমস্ত ভালোবাসার কবিতা গন্ধকলিপি তাই তার পুড়ে যাওয়া অনিবার্য।
।
মন কাঁদানো প্রলাপের গায়ে চাঁদভাঙা অক্ষর এসে আশ্রয় খুঁজে মরে
তার স্পর্শে এখন মৃত্যুর মতো নীল
তবু আদরের দিন সোহাগের রাত ভুলে যেতে নেই বলেই জড়িয়ে রাখতে হয় নিজস্ব শরীরের গন্ধে
পাগলের মত খুঁজে ফেরা মাথার বাইরে একটা চোখ ও চেহারা, যেন... জান্নাত থেকে ভেসে আসা পূর্ন ছুঁয়ে যাবে এ প্রার্থনায়।
শিশিরের দিন খুব কাছেই ; সে
কবিতার চিরকুটে গোপনে লিখে রাখে মন্দ বাসার অনেক চিঠি,
এ চিঠি নিজের কাছে একা, এ চিঠি সুজন তোমার উদ্দেশ্যে ডাকবাক্সে যাবে না কখনো।
এ কবিতাও পাঠ হবে না কোনোদিন কোনোখানে।
কেবল গোপন পাপ হয়ে একটা বুকে তুমি বন্দী থাকবে আজন্ম।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন