নৈঃশব্দের হলুদ খাম খুলে মধুদি বৈদিক আখ্যান পড়ছে,
মদ্যপ অমনিশা রাতের শারীরিক উন্মাদনায় আছড়ে পরা
খেলার পুতুলের মাথার সুতো তার হাতের মুঠোয়,,
একদিন যে বেদনাটুকু তার সম্বলের খুঁটে বাঁধা ছিল আজ
সে সবটাই পাশা উলটানো খেলার তুরুপের তাস।
ভুমিকা বদলে গেছে তার গল্পের অহংকারী রাজারার,
সে রাজা এখন ফুটপাতের শুয়ে থাকা ধুলো চাদরে ঢাকা
গন্তব্যহীন পথিক,
আর মধুদি পাপ বিক্রি করে আগুন দরে ... ভিখারি রাজা পাপ-জ্বরে গা পুড়িয়ে মরে সম্পর্কের শেষ সীমানায়,
মধুদি আকাশ কেনে, জ্যোতস্না বিলোয়,
সমুদ্র মন্থন করে অমরত্ব তুলে আনে
অবাধ্য গোধূলির আলো জ্বালিয়ে জীবনকে
জল ফড়িং এর সাথে মিশিয়ে নেয়,
রাজার মুঠোয় সময় ফসকে যায় ফসকে
যায় নিষ্পাপ প্রেম... অদ্ভুত আগুনে পুড়ে যায়
জৌলুশ সোমত্ত যৌবন অমনোযোগী চুলের ভেতোর
সাদা বরফের হরফ জায়গা করে নেয়,
মহাকাল তার দাঁড়িপাল্লায় একদিকে রাজার ক্ষয়িষ্ণু জীবনের
উত্তাপ রাখে অন্য দিকে মধুদির অন্ধকার সমুদ্রের অতল বিষাক্ত মৃত্যু-শীতল এর ভেতর থেকে তুলে আনা কালো মুক্তর
আলোর হাসি রাখল,
সমস্ত অসম্ভব কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পারিজাতের বারান্দায় আমি উত্তরের অপেক্ষায় আগামীর দিকে তাকিয়ে থাকি একটা অন্যরকম সকাল দেখবো বলে।
#সই(মধুদি পর্ব)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন