বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩

সুবর্ণা (১১৭)

আজ আর নিজের ভেতোরে  হাতড়ে দেখতে  সাহস হয় না,
তোমাকে  ভালবাসার  দু একটা  ভাঙা  টুকরো  এখনো  
আনাচে কানাচে পড়ে  আছে কিনা।।

তোমার কি মনে আছে সুবর্ণা  এক সময়  এক বিঘে বন্ধ্যা 
জমির সাথে তুমি নিজেকে  তুলনা করেছিলে  আর আমি মুহুর্ত  না ভেবেই হাজার ফার্লং স্রোতম্বিনী নদী তোমার নামে
উৎসর্গ  করেছিলাম, 
আসলে মানুষের  জীবনের সাথে জুড়ে  যাওয়া  সব সম্পর্কর গড়া ও ভাঙা  তার নিজের ইচ্ছার  ধার ধারে না সবসময়। 

তুমি আমাতে জুড়ে  যাওয়ার  আগের  মুহুর্ত অবধি 
ঈশ্বর  ও শয়তান কোনটাতেই আমার বিশ্বাসী  ছিলোনা,
মানতাম না নরক স্বিকার করিনি স্বর্গ, 
 অথচ তুমি জুড়ে  যাওয়ার  মুহুর্ত  থেকে এ মন মস্তিষ্কের  স্থিরতার অবস্থান  বদলে দিলে, 
পাওয়া চাওয়ার মোহে যাবতীয়  সংস্কারে ঘিরে ফেললাম নিজের বলয়... স্বার্থর সুতোয আঙুলে পেঁচিয়ে ফেললাম,,

একসময়... 

সময় মরসুম বদল করতে করতে আমরা থেকে তুমি ও আমি 
প্রাক্তনের ভুমিকা আশ্রয়  পেলাম 
 রোদ মাখা কুয়াশার  মধ্যে  ধিরে ধিরে  মিশে গেলো  কোনো   এক অতীত  সুখের অসুখ গুলো , 
অচেনা ভাষার  মতো  দুর্বোধ্য চিহ্ন  মুছে  দিলো কোনো এক অতীত প্রহরে সারল্যকে, 
পাঁজরের হাড়ে  গুঁজে রাখা পাহাড়  ঝর্না  কাঁচের  ঘরের কবিতা ক্যানভাস  রঙ তুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে  হারিয়ে গেলো 
নাটকের আলোর রোশনাইয়ে... মুছে গেলো আত্মিক আমাদের ঐকান্তিক সব ছবি,,

 বুঝলাম সময়ের সাথে সাথে কিছু জিনিস হয়তো মুছে  গেলেই ভালো । 

#সই (সুবর্ণা  অতীত সুখের অসুখ) 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন