যাপনীয় অনুবাদলিপির প্রতিটা অক্ষর
আজকাল একে একে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে গোপনে,,
কথা ছিল কষ্টিপাথরের মত জাগ্রত হবে প্রেম।
হাত বদল হওয়া এই 'আমি'টার আসল ঠিকানা
বলে কিছু হয় না কখনওই,, এখন কিছু গুড়ো গুড়ো
অন্ধকার চোখের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে,
বৃষ্টি দেখলেই তুমুল ভিজতে ইচ্ছে করে, জলের
মত তোমার সাথে বইবো ভাবি,,
প্রতিবার বৃষ্টির ভেতোর প্রবেশ করার পর
অনিবার্য কারনে বৃষ্টি থেমে গেছে।
একলা ভীষণ একলা আমি আর আমার এক
চিলতে ঈশানী আকাশ.... তোমার সাথে ভেসে
যাওয়া হয় না কখনওই,,,এভাবে তুমি শতাব্দী পর
শতাব্দী ছুঁয়ে আসো সমুদ্র।
আমার কপাল জুড়ে নিভে যাওয়া সূর্যরর ছায়া,,
নক্ষত্রদের ঘুম ভাঙা বাকি তাই উঠোন জুড়ে একরাশ
অন্ধকার জমা হয়.... আর ঠোঁটের আড়ালে জমা
হয় ঘন হয়ে আসা তোমাকে না বলা কথারা,
তুমি জানলে অবাক হবে মানসিক হাসপাতালের
এই ঘরটুকু আমার একটা গোটা পৃথিবীকে অদ্ভুত
কৌশলে নিজের আয়ত্ত্বে নিয়ে ফেলেছে......,,,
পৃথিবীটা যে এমন নজরবন্দী করা যায় তা
এই প্রথম বার জানা হল।
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
শুক্রবার, ২০ জুলাই, ২০১৮
ভেজা চিঠি(২)
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন