সোমবার, ২৩ জুলাই, ২০১৮

ভেজা চিঠি (৩)

++++++++++++++++++++++++
সব কথা বলা হয় না শেষ চিঠিতেও,
ডাকবাক্সর বুকেও তাই কিছুটা শুন্যতা চিরস্থায়ী,,
মৃত ঠোঁটে যেমনটা শূন্যতা ছাড়া অনেক শব্দ
চিরদিনের মত থেকে  যায় উহ্য।
ইন্দ্রিয়ময় ছাইয়ের স্তুপ জড়ো হয় কেবল, শেষ
ট্রাম চলে যাওয়ার শব্দে শহরের বুড়ো ঘড়ির
কাঁটাটা কেমন অচল হয়ে যায়,   বুকের ভেতোর
পাথরের চেয়েও শক্ত এমন কিছু আঁকড়ে থাকে,
ঠাহর করতে পারি না, এ কি গোপোন কোন
অসুখ কিনা!  সময় পাশ কাটিয়ে চলে যায় নিজের
ধারায়।
তোমার জানলার কাঁচে এখন বৃষ্টি লেগে থাকে
সমস্ত প্রহর... আমি ভাবি সে বুঝি কান্না,
অন্ধকার ঝুঁকে এসে তোমার গালের নরম দু:খদের
ছুঁয়ে যায়  আজকাল, দীর্ঘশ্বাস ছড়িয়ে পড়ে চতুর্ভুজ
পেরিয়ে শহর থেকে শহরে,,,
শেষ হয়ে যাওয়া দিনটার ভাঙা চোরা আলোর পাশে
আনমনে কোনো শিল্পী এঁকে চলে জীবনের চালচিত্র,
হঠাৎ হঠাৎ সে সব চিত্র জিবন্ত হয়ে তোমাকে
গ্রাস করে নেয়.....  হারিয়ে যাও তুমি আমার থেকে....,
আজ আমার শহরের অবিরাম বৃষ্টি,  ঝাপসা চোখের
সামনের সবটুকু দৃষ্টি,  আর রুমালের ভাঁজে মন খারাপ,,
মন খারাপ এর মানে আমার অভিধানে কখনো
খুঁজে পাইনি,  তাই চিঠির কিছু কিছু স্থান এমন
শুন্য রাখতেই হল....,।
আমার শহরে ডাকবাক্সরা আর নেই,  তাই
তোমার শহরকে দিয়ে গেলাম আর একটা
ভেজা চিঠি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন