সোমবার, ৩০ জুলাই, ২০১৮

ভেজা চিঠি(১১)

+++++++++++++++++++++++
ফেরিঘাটের গঙ্গার বুকে গঙ্গাপুজোর ঘণ্টাধ্বনি,
বুকের ভেতোর লুকোনো তুই ছ্যাত করে ওঠে
পাশে চলে যাওয়া  হরিধ্বনি শুনে,  এখন এ শহরে
নিয়মিত একলা চলি,, ভয় পাই জানি না কেন,
ভেতোরে বাইরে শ্মশান ঘাট যেন  দাউ দাউ জ্বলছে,,
তোর দেওয়া পাত্রে নীল বিষ...মৃত্যু যন্ত্রণা  সারা শরীর
কাঁপছে অথচ মৃত্যু যেন পথ হারিয়ে ফেলেছে,,
পুরোনো বাড়িটার উঠোনে ভেঙে  যাওয়া  শাঁখার টুকরো
আজো মাঝে মাঝে উঁকি পাড়ে... নিজের
ধুনে চলতে   সময় এক একটা অধ্যায় শিখিয়ে দেয় মাটির
মত সয়ে যাওয়ার পরও ক্ষয়ে যেতেই হয়,,
সব টা জানা হয় না কখনওই,  আচমকা পেছন থেকে
ছুরি  মেরে জীবন বোধোদয় ঘটায় তখন মুখোশ থেকে
রঙ ছেড়ে  পড়ে, কাছের দুরের সব চেনা যেন  ভীষণ
অচেনা,,
অস্থির সময়ে আগলে পথ চলা,  তুই আমির কথা
হারিয়ে যায় বারংবার,
হে পথ তোমার শেষ কোথায়? তুমি কি ক্লান্ত
হয়েছো একাবারও জানতে চায় মন,
কথার পিঠে কথারা আসে যায় জন্মক্ষণ থেকে
শ্মশান পর্যন্ত, ক্লান্তিহীন যেন  একা পথ।
একবিতার কেবল রক্তক্ষরণ এর দাগ আছে
ধুয়ে ফেললেও যায়  না ধোয়া,,
পোশাকের ওপর পোশাক চাপিয়ে জীর্ণতা
ঢেকে চলেছে এ শহর রোজ রোজ
আর তুই আমি নতুন মুখোসে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন