মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪

কুয়াশার ভেতর

কুয়াশার শহরের বুকে লুকিয়ে রাখা কফিন, 
সেই কফিনে জুড়ে ঘন হিম  বিষন্ন  শীত-গল্প,
পুরনো সময়ের মোহ যেন এক ফালি রদ্দুর মাখা 
কাঁচের বারান্দা, সহজেই উষ্ণীয়...  অথচ সে উষ্ণতা 
ভুলে যেতে পারলে কি ভাবে? 

আশ্রয়ের থেকে করুনার মায়া আর কি আছে বল? 
আমি সব আশ্রয় থেকে তিরতির শীতের মত নিজেকে 
বয়ে নিয়ে চলে যাচ্ছি   এক অন্য  পথে , পঙ্গু  আশ্রয়হীন লোকটা যে ভাবে এক রাস্তা থেকে আর এক রাস্তায় এসে দাঁড়ায় । 
আসলে জীবন  অত সহজে ফুরোয় না আর ঠিক কত মাইল
হাঁটতে হবে সেটাও জানা নেই, 
আজকাল মানুষ  রাতভর চোখ চেয়ে  ঘুমোতে যায়  বিছানায়, 
আজ কাল ঘন শীতেও মানুষ কেমন স্পর্শহীন হয়ে বাঁচতে চায়, 
আজ কাল মানুষ  আলো আর অন্ধকার আলাদা করে চিনতে
পারে না, 
তবু কখনো কখনো এ বুকে জ্বলে পুড়ে কিছুটা  বাঁঁচা বাকি থেকে যায়  
তবু অনাদরে অনুরাগহীন পুরনো কাজলে পুরনো শীতের উষ্ণ
কাহিনি বাসি হয়েও জেগে থাকে, 
তবু মানুষ বাঁচে  বাঁচার আগুনে হাত সেকে নেয় কখন... কখনো পুড়তে পুড়তে মরতে মরতে নিজের গল্পটা শেষতক টেনে নিয়ে যায় নিজের সাথে নিজেই, 
আসলে জীবন  ঠকে না কখনো ... শুধুমাত্র জিতে যায় অথবা 
শিখে যায়  ,, 
কোনো হেঁটে যাওয়া  কখনো কবিতা বা কাহিনিতে লেখা যায়  না 
কারন সব কাহিনী কখনো না কখনো ঘন কুয়াশার শহরে বেঁচে থাকা কে নির্বাসিত রাখে কফিনের ভেতর। 

#সই(কুয়াশার ভেতর )


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন