সংকোচের মত থেমে থাক যখন ঘুম ভাঙা
দিনের বুকে তোমায় স্পর্শ করতে চেয়েছি, অথচ
আমার ডাইরিরর পাতায় তোমার গলার কাছের তিলটা
নির্দ্বিধায় চিরকালিন আশ্রয়ী হয়েছে হাজার বছর
আগেই।
হয়তো এমনটাই হওয়ার ছিল, একটা দুরত্ব ক্রমশ
পথের ধারে সারিবদ্ধ গাছেদের মত , দুটো মনের মাঝে।
বর্শার ফলার মত রোদেরা ঠিকরে পড়ে অরক্ষিত
কোনো সিমান্তের দেওয়ালে, আর বহু পুরোনো
হাড় বার করা দেওয়ালের বুকে তিন মাথা এক করে
অতীতস্পর্শরা শুয়ে আছে খানিকটা মমির আদলে।
কার্নিশ জুড়ে একদল চিল শকুন আগুন সুতো ঝুলিয়ে
উৎসব সেকছে উল্লাসে।
কান্না ফুরিয়ে আসা একটা নদীর কিনারে পুড়তে থাকে
সমস্ত ইচ্ছা রঙ , আর কিছুটা মাটি খুঁজে পুঁতে রাখা ধুকতে থাকা নিশ্বাস।
এভাবে হাজার বছর হেঁটে নিজের চিতাভষ্ম বুকের
তোরোনে নিয়ে কি যেন এক অপেক্ষা!!
যাপন এর দুপাশে যা কিছু আছে আমি তার বিপরীতে
কোন পিরামিড এর নিচে স্তুপাকার রইলাম শতাব্দীকাল
ধরে,, কোন এক আজানের ভোরে গুটিয়ে রাখা গালিচার
মত আমাতে এস আরাধ্য ঈশ্বরের জন্যে,,
তখন বুঝবে সুখ হল শিশিরের মত ভোরের নরম আলো
যতক্ষণ ততক্ষণ , তারপর সেই পুড়তে থাকা সমস্ত
ইচ্ছাদের চিতার আগুন যেমন রোজ রোজ উঠন জুড়ে,
আর তুমি সেই একি রকম না পারো আগুন স্বিকার করতে
না পারো সংকোচ থেকে বেরিয়ে আসতে...
নিজেকে বোঝাও এক জীবনে সব পেতে নেই।
আমি বুঝে নিই তুমি এতজন্ম পেরিয়ে এসেও
আমার দুরত্ব পেরোতে পারনি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন