------------------------------------------------------
মিশরীয় কোনো মমির বুকে ঘুমিয়ে আছে
অনেকদিনর আলোর তরঙ্গ তুমি দেখেছো কি
সে আলোর বুক জুড়ে মুক্তির তৃষ্ণা।
বুকের তৃষ্ণা গড়িয়ে যায় জাদুকরী নদীর
শরীরের গোপন স্তরে,,,
ঘুম লেগে থাকা চোখে বাসি কাজলরেখা
উপন্যাস এর পর উপন্যাস স্বপ্ন বুনেছে কখনো।
মেঘ আসে যদি তারপর বৃষ্টি তারপর সব যেন
কোনো ইন্দ্রজালিয় ভূমিকায় হারিয়ে যায় ভাঙা
গড়ার নদীটার হৃদয়ে।
প্রত্নতত্ত্বীয় সময় অপেক্ষায় ছিল কি ছিল না
সে তো জানে কেবল কালের স্রোতে বয়ে যাওয়া
মহাকাল,,
আকাশের সরতে থাকা মেঘরা রোজ নানা রঙ এ
রাঙিয়ে তোলে ঈশানী কে আড়াল করতে।
আকাশের মতো হরবোলা হওয়া যে হল না সুজন।
একলা বসে আলোর কুচি জড়ো করি নিয়নবাতি এর নিচে
ঝরে পড়া তরল থেকে।
ভালোবাসেছি পুরোনো বাক্সে সেই সব ছেলে মানুষী
আবদার কে গুছিয়ে রাখতে। সময়ে সব যেন
আতরে ঢাকা স্মৃতি,,
মন পুড়ে যে ছাই হয় সে কথা তুমিও তো যান সুজন।
বদলে যাওয়া যে বয়ে চলা সময়ের রুপ সে তোমার বা
আমার চাওয়ায় কি নির্ভর করে?
তবে তো অনেক কিছুই চাওয়ার ছিল যা মমির বুকে
ঘুমন্ত সোনালি আলোর মত। তবুও তোমার
তথাস্তু বলায় এই মন অনেক অসম্ভব কে
সম্ভব এর ঠিকানায় পৌঁছে দেয়।
সোনালী কাব্য কিনা সে আগামি জানে
আমি শুধু চলমান মুহুর্তে বয়ে যাই যুগান্তরের
পথ ধরে।
মিশরীয় কোনো মমির বুকে কান পেতে দেখো
অজস্র আলোর কনা ফিসফিস করে মুক্তির
কথা বলে চলেছে ।
মরুঝড় বুকে নিয়ে ওরা ঘুমিয়ে পড়ে রোজ আর
জেগে ওঠে কোনো স্বপ্নদের জেহাদি চিৎকার শুনে।
ভাসতে থাকা অসংখ্য ছাইয়ের বুকে আগুন
যেন উচ্ছস্তরে কোনো ঋষির হোম শিখা ।
শুধু সময় আসে যায় কারন সে তো এসেছিলই
যাবার জন্যে। শুধু স্মৃতি থাকে বুকের পিরামিডএর
নিচে অনন্ত ঘুমের ঘোরে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন