দিল কভি না চাহা কি আশু ইতনাভি
বেবস হো যায়।
তবুও নোনা জল ঠিকানা হীন বার বার
হওয়েই পরে,, মিষ্টি মা তুমি বল খুশির কবিতা
লিখতে... আমি রোজ.. রোজ ইচ্ছে করি যে
খুশির দু এক শব্দ আমার কলমের নিবে ঝরুক
দ্বিধাহীন হয়ে,, প্রতিবার আমার ব্যর্থ কলম
ক্ষতবিক্ষত হৃদয়টাকে টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে আনে।
আমি মুখ ফিরিয়ে নিই সকল দুখ আর বঞ্চনার
শব্দদের থেকে, ছুটতে থাকি ভোরের আলোর দিকে,,
একটু একটু আলো মুঠো করে লক্ষি ভাঁড় ভরি,
কখন যেন অদৃষ্ট তার অদৃশ্য হাতে ফালা ফালা
করে আমার সে সঞ্চিত আলো,
তারপর হাসতে থাকে আমার বুক গড়িয়ে
নামা রক্ত দেখে। আমি বেঁচে থাকি মৃত্যুর কিনার
ছুঁয়ে,, আমার ক্ষতবিক্ষত শরীর থেকে সমস্ত
রক্ত আমার কবিতার কলম শুষে নেয়।
ফিরিয়ে দেয় অজস্র ক্ষততে দগদগে একএকটা
কবিতার পরিচয়ে।
মিষ্টি মা এমন করে আমি রোজ রোজ যুদ্ধ করতে
থাকি তবুও আজো আমি একটাও খুশির কবিতা
তোমায় লিখে দিতে পারিনি।
তবু.... দিল কভি না চাহা কি আশু ইতনা ভি বেবস
হো, ফিরভি দিল কো ধোকা দে হি দেতা ইয়ে
কমবক্ত আশু, বেবাজা বরষ পড়তি হ্যায় আখো সে দিল তক।
জীবন যখন সরল রেখা নয় কবিতা কেন সহজ হবে , জীবনের থেকেই কবিতার উৎস আমি মনে করি ,যে শব্দচুক্তি মনকে ভাবায় না তা কখনই কবিতা নয় ।
শনিবার, ২৪ মার্চ, ২০১৮
দিল কভি না চাহা
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন