----------------------------
কেমন করে তুমি যে প্রাক্তন হয়ে গেছ প্রিয়তোষ,
যে ভাবে বৃষ্টি এসে ধুয়ে দিয়েছিল সেই যন্ত্রনার
আছড়ে পড়া সকালে
কখন যেন 'বেশ তো ছিলে আদোরে আব্দারে বেঁচে
নিয়ে ছিলে নিজের মত নিজের সাথে আমাকে,
হঠাৎ তোমার ঝাঁকড়া চুল গহীন দৃষ্টি এমন ফ্যাকাসে
প্রানহীন মাছের চোখের গোত্রীয় কেন যে আজ ?
প্রাক্তন হলে হয়তো এমনি হয় , শিরদাঁড়ায় ঘুন পোকারা
তির তির করে ঘর বাঁধছে , চিনতে চাইলেও খেই হারিয়ে
ফেলি কিছুদূর যেতেই
সব উৎসব দহন হতে হতে ছাই হয়ে গেছে আসলে
আসলে আজ থেকে তেইশটা বছর আগে যে সকালে
বৃষ্টি শুরু হয়েছিল তা হয়তো আর থামে নি জানো,
চোখের কোল ঘেঁষে সেখানে বৃষ্টিনগরী তৈরী হয়েছে।
অনেক দুঃস্বপ্নের মাঝে তোমায় আঁকড়ে রাখতে না
পারাটা একদিন সত্যি হয়ে গেছিল,
পারলাম কই তোমার প্রথম প্রেরণা থেকে
শেষ ইচ্ছায় একই ধারায় বইতে?
আচ্ছা প্রিয়তোষ যেদিন তুমি শেষ
চিরকুটে জ্বলন্ত চিতাকাঠ লিখে পাঠিয়েছিলে
তোমাকেও কি পুড়তে হয়েছিল আঙুল বেয়ে
দহনে কি হৃদয় পুড়ে ছারখার হয়েছিল?
নাকি ফন্দির আড়ালে ফেটে পড়েছিলে
অট্টহাসিতে আমার জ্বলন্ত ছাইয়ের ভাবনায়?
তবু এখন তুমি প্রাক্তন.... তবুও হাজারো নদীর
নামে নিঃশব্দে আমার চেতনায়, কখনো অজয়ের
স্রোতে কখনো দামোদরের বহতায়......,
তবুও তো তুমি প্রাক্তন হলে শেষমেশ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন