-------------------
তোমার নাম দিলাম পদ্মনাভ, নামকরণ এর
সাথে সাথে তোমার বুকের বেড়ায় গেঁথে রাখলাম
রাধা নামের চিরকুট , চুক্তি অনুযায়ী এজন্মে অচৌক্তিক
ছিলাম পর জন্মে তোমার না বলতে পারা জেহাদে
একান্তের মশাল করে জ্বালিয়ে নিতে ভুলো না,
কারন আমি এ জন্মের পরিপাট্ট রেখে যাব আগুন
পথের অনেক আগে।
.................................
পরজন্মে নাম নিও বনমালী... জানি না সবাই
কেন বনমালী হতে পারে না , হয়তো সবাই
শুধু পুরুষ হতেই ব্যাস্ত সারাটা জীবন ভর
অথচ এই আধ পয়সার নাটকের মঞ্চে তুমি শুধুই
নারীর বুক হাতড়ে হৃদয়ে কথা খুঁজে গেলে
নারীর নাভি থেকে তুলে আনলে কস্তুরি ঘ্রানে ঢাকা
সমস্ত অভিমান, নারীর না বলা কথায় ভরিয়ে দিলে
গ্রন্থ...... বুঝলা না তবু কেউ, ছুটে এলে এক যন্ত্রনা উপচে
পড়া নারীর কাছে... প্রেম চাইলে, চাইলে দুঃখ, তার
দুচোখের যমুনা স্নান করলে কয়েক হাজার বার,
দর্শক হাততালি দিল আড়ালে বলল নারীবাদী শা....
নাকি তৃতীয় স্বত্ত্বা, তাদের বোধগম্য হল না
তোমার কথা ভাবল খায় না মাখে....
এই পোড়া দেশে এমনটাই হয় , আমি গোপনে কাঁদলাম কারন
তুমি আমার চোখের জল সহ্য করতে পারো না মোটেই,
তারপর এজন্মে তোমার নাম রাখলাম পদ্মনাভ আর বুকের
ছাল বাকলের ফাটলে গুঁজে রাখলাম রাধা নামের চিরকুট,
আগুন হয়তো সব পুড়িয়ে ফেলতে পারে না নিদারুন
কিছু দেনাপাওনা জমে থাকে বাসি পড়ে থাকা জীবনের
চালচিত্রে, আগুন হারতে শেখেনি তাই সেসব বকেয়া
বাতাসে মুড়ে আকাশ নগরীর দিকে ছুমন্তর করে দেয়,
আসলে যা চোখে দেখা যায় না তার থেকে যাওয়া
আমরা কেউ দেখতে পাই না।
সাতসতেরো ভাবলাম কিনা জানি না তবে পরজন্মে
নাম নিও বনমালী, জন্মের পর চোখ খুলে প্রথম
দেখ রাধা নামের চিরকুট,
আমার নতুন জন্ম হোক স্বার্থক কোন
কারনে.... সমস্ত চুক্তিপত্রে শুধু সেদিন রাধা
লেখা, আর তোমার প্রেম পরিনীতা সেই
নারী কেবল তোমার অপেক্ষায়,,
.........তোমার নাম রাখলাম পদ্মনাভ...
.......পরজন্মে নাম নিও বনমালী....।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন