মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০১৯

সুবর্না(৪৫)

,
শূন্যতা   কেন বৃত্ত  ভরে জানি না সুবর্না ...
ক্ষত মেলে  যায় কেন উৎসবের ডাকের সাজে !
দুপুরের বিছানায় ক্লান্ত  বাতাস  কেন ঘুরে বেড়ায়
চাদরের কোল ঘেঁষে ,
ঘামের গন্ধ থেকে নকশা আঁকা  পাহাড়ী  পথ
অচেনা ভাষার আর্তনাদ করে কেনই বা ,
.  .  শুকনো  জিভে আটকে যায় বেঁচে থাকার যন্ত্রনা ,
.  সাদা কালো মেঘ যেন দলছুট ইচ্ছা অস্থির এলোমেলো ,

খোঁপা র বাঁধনে বাসি কিছু ফুলের শুভেচ্ছা

ঋতু বিনিময়  করে যায় নিয়ম মেনে  ,, আমাদের স্বপ্নে

বৃষ্টি আসার কথা ছিল  কথা ছিল সরলপত্রে
ভেজিয়ে ফেলব না পাওয়ার সব পাণ্ডুলিপি ,
ভীষণ বৃষ্টিদিন আজ... চিলেকোঠার ছাদে
ঝুলিয়ে রাখা  বাটিকে ওড়না এখন একা  .. আমরা একসাথে
রং ভরেছি ফেলে আসা কোনো স্রোতে ,
সুতোয় বাঁধা  ইচ্ছাগুলো আজকাল বেঁধে রাখা কোনো
বুড়ো বটের কোমর বন্ধনে ,
... সন্ধ্যের মুখোমুখি অগুনতি স্থবিরতা চরাচর জুড়ে রঙ এঁকে চলেছে।
লাল হলুদের সাথে মিশে যাচ্ছে নিঃশব্দ বৃষ্টিবিন্দু।
কবেকার ফেলে আসা হারানো অতীত আজও
অধিকার বোধে আঁকড়ে ধরছে রাজরানীর ঘুমন্ত শরীর ,
রোদ্দুরে পিঠ দিয়ে পরজন্মের উত্তরীয়ে  মুড়ে নিচ্ছি  নিশ্বাস ,
পাতাদের গায়ে অভিকর্ষ লেগে আছে  চেয়ে দেখো সুবর্না
ছোটো ছোটো শ্রুতি, প্রতিশ্রুতি
বৃষ্টি ও অধিবাস সব কিছু স্পষ্ট ,

.  .   .
নৌকো, ঘোড়া, গজ, বোড়ে আর
ডানা ও চোখের পাতায় জড়সড় ক্ষীণ স্রোত

আমার দু-চোখ বেয়ে সন্ধ্যা  আর
কপালে একফালি চাঁদ উঠেছে ,
সুবর্না আমি বাঁচতে চাই তোমার ভেতর কোনো
গর্ভগৃহের এক খন্ড শিলার মত ....
সুবর্না প্রিয় ছিন্নপত্র ,,,,

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন