আজকাল মধুদি জড়িয়ে ধরায় স্পর্শ পায় না কারন
জড়িয়ে ধরা আর স্পর্শ শব্দটার মাঝে একটা ভীষণ রকম শীত পাঁচিল তুলেছে।
ক্যাপশনে মৃত্যু -আগুনের নতুন বোঝাপড়া সেরে মধুদি
ধর্মের এপারে ঘর বেঁধে বাস করে বহুদিন হলো।
মধুদি মহাভারত লিখছে নিজের গল্পে,,
তার মহাভারতে যুধিষ্ঠির সাধু নয়... দুর্যোধন মানে মুক্তির
পথ, আর অভিমূন্যর অভিমানে আকাশ আড়াল হয়।
দ্রৌপদী হলো চরিত্র জুড়ে দেওয়া সেতু,,
নতুন ক্যাপশনে বদলে ফেলা হয়েছিলো অভিশাপ , অবঞ্জা, ও হত্যা, তার বদলে সাজিয়ে নিয়েছিলো বেঁচে থাকা, নিজেকে ভালো রাখা, আর মুক্তি।
এভাবেই ধর্ম যুদ্ধ বদলে ফেলে সে সময়কে হত্যা করে শান্তির ঘরে তথাগত স্বরূপ ধারণ করেছে।
এভাবেই ইতিহাস গুড়িয়ে সে নিজেই বসেছে মহাভারত রচনায়,
তার বুকের আগুনে পুড়ছে মগধ, হস্তিনাপুর, কুরুক্ষেত্র
আর পুড়ে যাওয়া উপত্যকায় মধুদি নতুন করে যুধিষ্ঠির, কর্ণ,
দুর্যোধন, শকুনি, দ্রৌপদীকে আলোক ও সাজসজ্জা সাজাচ্ছে .... লিখছে অন্য মহাভারত।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন