মধুদির এখন নিজস্ব একটা দেশ আছে ,... আছে আঁকড়ে থাকা জমির টুকরো।
বর্তমানের পটভূমিতে বেঁচে থাকা তার প্রতিজ্ঞা, সে নিজের সাথেই কথা রেখেছে নিজের হাতে হাত রেখে।
মধুদি আমার পাড়ায় থাকে, আমার পাশের বাড়িতে।
তার নিজের দেশে কোনো ধর্ম নেই, নেই একটাও মন্দির, মসজিদ কিংবা গির্জার অনুরনিত ধ্বনির স্বরলিপি।
সময়ের ঘরে এখন সে ভীষণ রকমের বাঞ্চিত, পুরোনো গাঢ়
রক্তের কালশিটে ফুঁড়ে মাধবীলতা হাসছে তার নিজের বারান্দা উঠোনে।
মধুদি আমার পাড়ায় থাকে, মধুদি তোমাদের পাশের বাড়িতেও থাকে, মধুদি আসলে সঙ্গীতা, সোনালী , ঋষির পাশের বাড়িতে থাকে,
একটা মেঘে ঢাকা তারার আকাশ কে মধুদি নিজস্ব শাসনে হাসতে শেখায় অহংকারের হাসি , শেখায় অসহ্য মুখোশ গুলো কিভাবে কুকুরের ভুমিকায় ছিড়ে ফেলতে হয় একটুও না ভেবে।
সে বর্তমান লিখে ফেলে সময়ের উপন্যাসে,
তার দেশের একমাত্র সরকার সে নিজেই...।
অথচ তুমি আমি সোনালী, ঋষি কিংবা সঙ্গীতা বা রতনদা এই মধুদি কে আমাদের দেশের সরকারের ভুমিকায়
কখনোই দেখার সাহস রাখি না,
আমাদের গনতন্ত্রের আঙুলের ছাপেও একটা অসম্ভব আসহায় আর অসহ্য রকম মুখোশ এর খোল পরানো থাকবেই,
তবু মধুদি তোমার আমার সঞ্জয়, ঋষি, মালবিকা, কিংবা সুনীলবাবুর পাশের বাড়িতে বাস করেও একটা নিজস্ব গোটা দেশ গড়ে নেওয়ার কলজে রাখে,,,
মধুদি নিজস্বতা নিয়ে মহাভারত লিখতে পারে
পারে পারে সামাজিক 'অ' এর ভুমিকাগুলো দারুণ ভাবে বদলে দিতে।।
আমরা কোনদিন কি পারবো নিজেদের বুড়ো আঙুলের মুখোশ খুলে মধুদির ললাটে রাজতিলক আঁকার সাহস জোগাতে!!
...সই
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন