জ্বরের ঘোর
ভীড়ের ভেতোর হঠাৎ হঠাৎ তুই সমুখে এসে প্রশ্ন চিরকুট
গুঁজে দিস, অপেক্ষার ছায়ায় দাড়িয়ে চিরকুট খুলে দেখি
সেখানে পুড়ে যাওয়া কাঠের কালিতে লেখা মন শরীর
আর বোধ এর সাথে ভাল থাকার প্রশ্ন।
সময়ের ঘরে ফেরা হয় না কারন সময় পাখির মত
ঘরে ফেরার রাস্তা মনে রাখে না, আর প্রায়শ্চিত্ত শব্দটা
কেবল একটা সান্তনা , এ শব্দে ইঁট আবার নতুন করে গাঁথা
যায়না,
স্বর্গ দুয়ারে আলোর নিচে নীল কিংবা গোলাপি
আলোর দফনে একটা মৃত্যু ভিষণ রকম জীবন্ত,
অথচ মানুষের মোহ উপরের পোশাকের সলমাচুমকির
রোশনাইতে,
দিন পেরোলে চামড়ায় লেগে থাকা অজানা
পাপ অসুখের মত অন্তর সেঁধিয়ে যায়,
হৃদয়ের ভায়োলিনে তখন ইমন কল্যানে অভিমান
আর আয়নায় অচেনা প্রশ্নকর্তা,,
এমন সময় কুঁকড়ে ওঠে হৃদয় আর অদৃশ্য সেতুটা
কালের কুয়াশা সরিয়ে হাতড়ে বেড়ায়,
মিথ্যে অভ্যেস বদলে যায় বেঁচে থাকার গল্পে, আসলে
আলোর দিকে হাঁটার নেশায় বুঁদ হয়ে তুই ভুলে গেছিস মরিচীকা
আর আলোর তফাৎ, মরিচীকা আর আলো একই দেখতে
একটা স্পর্শ করা যায় আর একটা....।
#সই(জ্বরের ঘোর)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন