রবিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৮

সুবর্না (১৪)

----------------------------
চিলেকোঠার দেওয়ালে আঁকা
শুন্যের মানচিত্র, তার কয়েকটা
ঠিক যেন তোমার মুখের আদলে,
বাকি সব পিছুটানহীন বিষাদ....
হেমলক সোসাইটি বারান্দার
   বিকেলে  একটু একটু জমা অন্ধকারে
তোমার যাবতীয় নিবিড় গন্ধ পথ খুঁজে
নেওয়া শুরু করেছে ----- একথা জানা
মাত্র কান্নার সমস্ত ছায়ারা আমাকে পুর্নাঙ্গ
গ্রাস করতে শুরু করেছে সুবর্না,
চিতার ভাষা বুঝব বলে  শ্বশানের
কাছা কাছি  পরিযায়ী পাখি মত
ফিরে ফিরে আসি...  যাতে মৃত্যুর
সমস্ত খেলার কাছে হেরে না যাই,
শিরার ভেতোর তোমার দেওয়া
অজস্র ঋন সুখের যন্ত্রনার মত
বইছে,,
সুবর্না   এখন বুঝি সুখ একা আসে না
তার গায়ে লেগে থাকে অদৃশ্য কাঁটা,
তাই যতটা সুখ আমার ভেতোর বাসা
বেঁধেছে তার থেকে বহুগুন বেশি সুখের
কাঁটাগুলো ক্ষতবিক্ষত করেছে আমায়,  ক্রমশ
চুপিসারে  ছড়িয়ে যাচ্ছে গোপোন অসুখের
মত আমার অন্তরমহলে,,,
তোমাকে পাওয়ার দিন গুলো ধিরে
ধিরে কর থেকে অদৃশ্য হতে থাকছে,
এরপরে শুন্যতায় তোমার ছায়ার মত
তুমি, এই আছ এই নেইএর বাঘবন্দি খেলায়
আমি একা তোমার স্মৃতির অতন্দ্র প্রহরী,
এখন আমাদের  অন্তরংগের চিলেকোঠার
মানচিত্রে তোমার স্পর্শ জড়ো করি রোজ।                           
      

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন