শনিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

ভেজা চিঠি (১৫)

_---------------------------------
নিজের সাথে আপোষ করে সকাল গড়িয়ে
বিকেল আসে....  শহরে শীতের সন্ধ্যা তখন, বাড়ির
অপেক্ষায়।  
আমার শহরে    একটাও বাড়ি নেই যেখানে
সামান্য উষ্ণতা রয়েছে,  ফিরতি পথে নিরবে
মুঠোফোন বলে দেয় আমি তোমার একমাত্র
অপেক্ষার সাক্ষি।   তোর বর্নময়   রাজপথে
কোথাও আমির অপেক্ষা নেই, সামান্য কিছু
অভাব ছায়ায় থেকেও আবছায়া......
চাকার ফাঁকে পাছে আটকে পড়ে গলার স্বর, দ্রুত
হেঁটে পার করি চলতি সময়,,,
এভাবে চামড়ার রং বদলে যায় সুজন আমার আর
প্রেমিকা হওয়া হয়ে ওঠে না,,,  মাথার ভেতর ভালো
আছি শ্লোক পাঠ করতে করতে সম্মোহিত একটা
একাকিত্ত্ব  ঘিরে ফেলেছে আমায়,
গোপোন পায়ের ছাপ তোর  উঠোনময়
তুই জানতে পারিস  না। 
প্রশ্নের খোঁজে যে  সব উত্তাপরা    শরীরে জ্বর
বাধায় ...  পুড়ে  যায় বেঁচে থাকা তাদের আতাতের
সাথে একটু একটু করে গভীর  সম্পর্ক গাঁথি।
আলো ছুঁয়ে ক্ষনিকের শ্বাসপ্রশ্বাস সেরে ফেলি
ভাল আছি ভেবে   ,,  অথচ নিপুণ অন্ধকারে
কুঁকড়ে আছি ----- ভেতরে ভেতরে একদল
সৈন্যরা আমার রাজা রানীকে ঘিরে ফেলেছে
চক্রাকার।
এসব গোপন খবর যে চিঠিখানাতে  লিখেছি
সেটা ডাকবাক্সে ফেলা হয়নি কারন তোর
ফিসফিসে সামাজিকতা দায়িত্বে আলাপনে
আমি নেই কোথাও কোনো ভালবাসায়,,
রয়েছি অভাবে --- তাই ভেতরের ভিখারীনি
আজও আলুথালু......,,,,  আমার আর প্রেমিকা
হওয়া হলো না 'সুজন '   আমি র ভালবাসা হতে পারলাম না।                         
                                

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন