এবার শুরু হোক অন্ধকারে দিকে হেঁটে যাওয়া,,
পরিধি বরাবর ঠিক পৌঁছে যাব গর্ভকুন্ডলির কেন্দ্রে ।
শ্মশানের গায়ে পুড়েছে যারা
তাদের মত ঘিয়ের প্রদীপ সাজিয়ে অনেক নক্ষত্রর মত একসাথে আকাশ থেকে তোমায় দেখার সাধ...
তীব্র কম্পনে তুমি জাপটে ধরবে পুরোনো স্পর্শ আর ফুঁ দিয়ে এক একটি তরঙ্গ
গিঁট খুলে পাঠিয়ে দেবে আকাশের গায়ে আমার কথা ভেবে ,, সুবর্ণা .. এভাবেই একদিন
নিশ্বাসের সাথে তোমার অস্তিত্ব টেনে নেব ,
পড়ে থাকবে চেতনা হীন এক কায়া......
ঘাসে ঘাসে ছড়িয়ে পড়বে গুঁড়ো গুঁড়ো
ভালোবাসা ,,,.ছায়ানটের মতো প্রিয় মানুষ চলে গেলে আয়নার রং বিবর্ণ হয়. সে দিন হয়তো বুঝবে ........ বুঝবে আগুন ছাড়াও দহন কতটা ছাই করতে পারে ,, দেওয়াল জুড়ে সাজানো ফ্রেমের কাঁচ ভাঙার শব্দ শুনতে শুনতে ভগ্নাংশ ডিঙিয়ে খুঁজে দেখো .. ছায়ার নীচে অভিমান জমা যা তুমি মুছে ফেলতে পারতে খুব সহজেই,,.শেষ বিকেলের আলো আর আরাম চেয়ারে তোমার পাশে ইজেলদানি .. সুবর্ণা
তোমার খুব কাছ ঘেঁষে একটা গরম দীর্ঘশ্বাস তোমায় ছুঁয়ে যেতে পারে জেনো ।
হাতের রেখারা সব শূন্যে ভেসে গেছে ,
অনিঃশেষ বৃষ্টিপাতে তুমিও ক্লান্ত
দুমড়ে মুচড়ে... যেন থমথমে স্মৃতি উড়ে আসছে
সমস্ত বাতাসে এদিক ওদিক থেকে ,
যেন শীতলক্ষ্যা নদী বুকের ভেতর হুহু করে খরস্রোতা .....
মৃত্যুর হাত ধরে তুমি দয়া ভিক্ষাও চাইতে পারো,
মুহূর্তে ঘটে যাওয়া প্রবাহগুলি মনে থাকে না সেভাবে .. কে এসে এঁকে দিয়ে যায় আলাপের ধারাবাহিক ধাপের সিঁড়ি... যা বেয়ে উঠে যাওয়া যায় আমাদের প্রথম দিনে ... অ্যাসট্রের ভেতর নিকোটিনের ধুকপুক পুরোনো কাশির দমক । খুব রেগে গিয়ে... কানের লতি কামড়ে বলতে আসবে কে দু একদিন সিগারেট কম খেলে ভালো হয় ।হারিয়ে ফেলছি আয়নায় কিনে ফেলা আবদার ,, স্বপ্নে পচানো অলীক শহরে নরকপর্বের ছায়ারা একা ,, এখন তোমার চতুর্ভুজ সাজানোর পালা , আমাকে নির্বাসিত করতে পেরেছো দ্বিধাহীন হয়ে দায়ভার নেই বলে। মসৃণ মুঠোয় তোমার পোষা বেড়াল আদরে ক্রমশ সুখ মেখে অভ্যস্ত সুবর্ণা , ,দীর্ঘশ্বাসে যুদ্ধশেষের খাঁ খাঁ মৃত্যুভূমি... অবশ করা চেতনায় সব খেলা শেষ হয়ে যাওয়া আশ্চর্য রেশটুকু বাঁচিয়ে রাখে আমাদের চর্যাপদ ।
..........(সুবর্ণা প্রিয় নির্বাসন )
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন