কিংবা নিথর কোনো পাথর , কোনো উত্তোলনে
সামিল হতে আর ইচ্ছে জাগে না , বহু বার জানতে চেয়েছ কার কার আঘাতে আমি ভেঙেছি বারংবার ..... অথবা কাদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় প্রতিবার তুলেছি অস্ত্র , হাসি পায় জানো এ প্রশ্নে , ভাবি কি হবে জেনে সেই সব চরিত্রের নাম জেনে তাদের কারো কি মনে আছে আনমনে অবিচলে পায়ের নিচে পিসেছে কত সহস্র অনুভূতি ক্ষতবিক্ষত করেছে অবলীলায় কতবার হৃদয়, ....আমিই কি সেসবের কিছু মাত্র গুছিয়ে মনে করতে পারি আজকাল ,
শুধু ক্ষতগুলো এখন বিষক্রিয়ায় ব্যস্ত সারতে না চাওয়ায় তারা দৃঢ়সংকল্প।
ফিরতে চাই তাই ... চাই স্তব্ধ হতে ,,,
তুমি ভাবতে পারো আমি ভয় পেয়েছি ঘন অন্ধকারে ভাসতে ভাসতে , ভয় অন্ধকারে লাগেনা
সুবর্ণা অন্ধকারে কখনও হয়তোবা নিশ্চিন্তে ঘুমও এসেছে ,
ভয় তো আলোর কাছে আলোয় সব মুখের মুখোশ বুঝিয়ে দেয় , বিভৎস ভয় পাই চেনা চেহারায় এমন দৃশ্য পেয়ে ।
এবার ফিরতে চাই এই নাটকের ভূমিকা থেকে ...
এ লেখা নিজের অস্তিত্ব সামলাতে না পারার অসহায়তার পরিচয় .... শব্দ দের থেকে কিছুটা
নিঃশ্বাস ধার করে এ কবিতায় নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা ....যেন আর এক ঋণ ।
সুবর্ণা এ লেখা নিজের থেকে নিজেকে দূরে রাখতে ,
এ লেখা নিজের কাছে হেরে যাওয়ার খসড়া ,
এ লেখা মুক্তি চাওয়া এই বাঘবন্দি খেলা থেকে ,
.........এবারে ফিরতে চাই , চাই স্তব্ধ হতে কোনো পাথরের মত ...থামতে চাই এই পথ চলা থেকে ।
.......(সুবর্ণা প্রিয় ক্লান্তি)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন